মানববন্ধন কর্মসূচিতে শিক্ষক নেতৃবৃন্দ বলেন, দীর্ঘ ২০ বছরেও ২৫% ঈদ বোনাসের কোন পরিবর্তন হয়নি, ১০০০ টাকা বাড়ি ভাড়া, ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা, এমপিও শিক্ষকদের নেই কোন বদলী প্রথা। দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর ধরে বিভিন্নভাবে আন্দোলন সংগ্রাম করে আসলেও এমপিও শিক্ষকদের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন নেই, বরং আওয়ামী দুঃশাসনে এমপিও শিক্ষক সমাজ সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ ও চাকুরীচ্যুত। আওয়ামী দুঃশাসনের সময় মাসের পর মাস শিক্ষক আন্দোলন করা হলেও শিক্ষকদের কোন দাবি পূরণ করা হয়নি, বরং শিক্ষকদেরকে বিভিন্ন কৌশলে চাকুরী থেকে অপসারণ করা হয়েছে। অবিলম্বে চাকুরিচ্যুত শিক্ষকদেরকে চাকরিতে পুনঃর্বহাল করতে হবে।
বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট ও অবসর সুবিধা বোর্ডে অতিরিক্ত ৪% কর্তন বন্ধ করতে হবে। কল্যাণ ট্রাস্ট ও অবসর সুবিধা বোর্ড বন্ধ করে পেনশন ব্যবস্থা চালু করতে হবে।
বর্তমান শিক্ষা কারিকুলাম অতিদ্রুত বালিত করতে হবে। উপরোক্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন বৈষম্যদূরীকরণসহ অতিদ্রুত শিক্ষা জাতীয়করণ ঘোষণার জোর দাবি জানান শিক্ষক নেতৃবৃন্দ।
মানববন্ধন কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি এ.এস.এম মোর্শেদুল ইসলাম, অতিরিক্ত মহাসচিব ওমর ফারুক, সাংগঠনিক সম্পাদক আঃ আলীম ও তানিয়া আক্তার, প্রচার সম্পাদক, এস আর রিপন, মোস্তাফিজুর রহমান রিপন, আবদুল্লাহ আল মামুন, সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ।








