গোপাল চন্দ্র রায় -ডোমার(নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ আর মনে হয় হাটতে পারবো না।
পায়ের চিকিৎসা করাতে সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। শেষ মুহূর্তে এসে টাকার জন্য চিকিৎসা করাতে পারছি না। আর মাত্র ১লাখ টাকা হলেই আমি সুস্থ্য হবো। কান্নাজড়িত কন্ঠে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত গুরুদাস রায় উল্লখিত কথাগুলো বলেন।
নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার ধর্মপাল ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের পায়রাবন গ্রামের মৃত খোকা রাম রায়ের ছেলে গুরুদাস রায়(৩৫) দিন হাজিরায় কাজ করতো একটি জর্দা কোম্পানীতে। গত দেড় বছর আগে কাজ সেরে বাড়ী ফেরার পথে গরুবাহী নছিমনের সাথে অটোরিকশার সংঘর্ষে গুরুদাসের ডান পায়ের ৪জায়গায় ভেঙে যায়। সংসারে যাকিছু ছিলো সবকিছু বিক্রি করে পায়ের চিকিৎসা করান। এ যাবত তার ৯লাখ টাকা খরচ হয়েছে। এরমধ্যে হাটুর উপরটা ঠিক হয়েছে। হাটুর নিচে ভেঙে যাওয়া পা অপারেশন করে চিকন রড লাগিয়ে খাঁচা বেঁধে দেয়া হয়েছে। তার দুই হাতে ঠেঙ্গা তবুও দুজন ধরে ঘরের ভেতর থেকে আনা নেয়া করতে হয়। সংসার জীবনে মা,স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে। ৫জনের সংসারে উপার্জনক্ষম ব্যাক্তি একমাত্র গুরুদাস রায়। সে জানায়, দুর্ঘটনার পর কিছু প্রতারকের খপ্পরে পরে আমার চিকিৎসা করাতে বেশী টাকা খরচ হয়ে যায়। পরে বিষয়টি বুঝতে পেরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স এবং স্পাইন সার্জন ডাঃ এবিএম রাশেদুল আমিরের তত্বাবধানে চিকিৎসাধীন আছি। তার কাছে চিকিৎসা নিয়ে বর্তমানে অনেকটাই সুস্থ্য হয়েছি। চিকিৎসা শেষ করতে আরো এক লাখ টাকা খরচ হবে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। পরবর্তী চিকিৎসা করার মতো আর কোন উপায় নেই। সংসারে যা ছিলো সব শেষ। শেষে গ্রামের লোকজনও আমাকে সহায়তা করেছে। টাকার অভাবে বর্তমানে চিকিৎসা করাতে পারছি না। তাই দেশবাসীর কাছে আর্থিক সহায়তার জন্য আবেদন করছি। আমার মোবাইল নাম্বার- ০১৭৬১২১৭৬২১ (বিকাশ)
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মধ্য দিয়ে জাতিসংঘ...







