রেজওয়ান আলী বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি-বিরামপুর বাংলাদেশের রংপুর বিভাগের দিনাজপুর জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা ও পৌর শহর। বিরামপুর উপজেলা দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাঞ্চল ও দেশের সীমান্তবর্তী একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক শহর। ছোট যমুনা নদীর কোল ঘেঁষে বিরামপুর উপজেলা অবস্থিত। রাজধানী থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরবর্তী এবং দিনাজপুর সদর থেকে ৫৬ কিলোমিটার দূরবর্তী হলেও বিরামপুর শহর নিজস্ব সংস্কৃতি ও ব্যবসা-বাণিজ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। ভৌগোলিক অবস্থানে ২১১.৮১ বর্গকিলোমিটার আয়তনের বিরামপুর উপজেলার ওয়ার্ড ৯টি ও মহল্লা ২৯টি। এই উপজেলার উত্তরে ফুলবাড়ী উপজেলা ও নবাবগঞ্জ উপজেলা,দক্ষিণে হাকিমপুর উপজেলা ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ,পূর্বে নবাবগঞ্জ উপজেলা ও হাকিমপুর উপজেলা এবং পশ্চিমে ফুলবাড়ী উপজেলা ও পশ্চিমবঙ্গ দ্বারা ঘেরা একটি ঐতিহ্যবাহী শহর।বিরামপুর পোউরসভার প্রবেশদ্বার
বিরামপুর পৌরশহর ছোট যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত। এটি মূলত যমুনা নদীর উপবাহিকা। উল্লেখ্য,দিনাজপুর দক্ষিণাঞ্চল উন্নয়ন ফোরাম (দিদউফ) এর সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) ইঞ্জি.মাসুদ আলী খান,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য (দিদউফ) এর সিনিয়র সহ-সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ মোঃ নজরুল ইসলাম,সাধারণ সম্পাদক গ্রীন ডেল্টা ইন্সুরেন্স কোম্পানির সিনিয়ার ভাইস-প্রেসিডেন্ট মোঃ মোজাম্মেল হক এর সমন্বয়ে দিনাজপুর দক্ষিণাঞ্চলের পেশাজীবী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি শক্তিশালী টিম জেলার দাবী কে সর্বজনীন গ্রহণযোগ্য ও জেলার দাবীতে শান্তিপ্রিয় আন্দোলন কে জোরালো এবং জেলার দাবীটি দিনাজপুর দক্ষিণাঞ্চলের জন্য অনেক প্রয়োজনীয় বুঝাতে রাজধানী ঢাকা ও দিনাজপুরে কাজ কার্ষক্রম অব্যাহত রয়েছে। ইতি মধ্যেই দিনাজপুর দক্ষিণাঞ্চল উন্নয়ন ফোরাম (দিদউফ) এর নেতৃতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়,প্রধানমন্ত্রী দপ্তর,জেলা প্রশাসক, স্থানীয় সংসদ সহ সরকারের উচ্চ পর্যায়ে জেলার দাবীতে স্মারকলিপি প্রদান, গোলটেবিল মিটিং,পত্রপ্রদান এবং মানব্বন্ধন করা হয়েছে। বিরামপুর,ঘোড়াঘাট,হাকিমপুর ও নবাবগঞ্জ উপজেলা নিয়ে দিদউফ) দিনাজপুর দক্ষিণাঞ্চল উন্নয়ন ফোরাম (দিদউফ) তাদের সকল কর্মকাণ্ডের সাথে বিরামপুরে জেলার দাবী”এই এলাকার মানুষের ন্যায্য অধিকার বলে চলমান রেখেছেন। দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাঞ্চলের ৬ উপজেলার সমন্বয়ে অত্র এলাকার জনসাধারণ প্রশাসনিক ও ভৌগলিক কাজের সুবিধার্থে কেন্দ্রস্থল বিবেচনায় নিম্নরূপ গ্রহণযোগ্য যৌক্তিকতার কারনে সুদীর্ঘ ৪২ বছর যাবৎ বিরামপুরকে একটি নতুন জেলা প্রতিষ্ঠার দাবি করে চলেছেন। বিরামপুরে জেলার দাবিতে আন্দোলন করতঃবস্হায় তারা জানান যে,১৯৭৭ ইং সন হইতে বিরামপুর জেলার (তৎকালীন মহকুমার) দাবি এলাকার বসবাসরত জনগণের।
এই দাবির প্রেক্ষিতে বহু নাটকীয়তার পর শেষ পর্যন্ত সরকার ১৯৭৯ ইং সনের ১৪ ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ গেজেট নোটিফিকেশন নম্বর ই.ডি.জে.এ/৩/৭৮-৪১৪ জারী করেন। এই নোটিশের ফলে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বে গঠিত একটি শক্তিশালী টিম গত ১৬/১/১৯৮০ ইং সনে ফুলবাড়ীতে এবং গত ২৩/০১/১৯৮০ইং সনে বিরামপুর কলেজ মাঠে পৃথক পৃথক ভাবে জনমত যাচাই অন্তে বিরামপুরে তৎকালীন মহকুমা করার সিদ্ধান্ত হয়। অত:পর ফুলবাড়ীর কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তি ফুলাবাড়ীতে এ হেড কোয়ার্টার করার অন্যায় দাবি করলে শেষ পর্যন্ত মহকুমা সৃষ্টি বিলম্বিত হয়ে পড়ে। উক্ত বিষয় কে আলোচনা পর্ষালোচনা অন্তে বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি গোচর হইলে তিনি জেলা বাস্তবায়নের জন্য তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্হা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন। সেই মর্মে এলাকার প্রতিটি মানুষের প্রানের দাবি হয়ে ওঠে একটাই বিরামপুরে জেলা চাই। উক্ত দাবির শ্লোগানটি পাড়া মহল্লা থেকে আরম্ভ করে সকল মহলের দৃষ্টিপাত করেছেন বলে জানা যায়।।








