মোঃ আবুল কাশেম, ষ্ট্যাফ রিপোর্টার, দৈনিক বাংলার দূত, চরফ্যাসন, ভোলা, বাংলাদেশ। নোয়াখালীর মোখলেইস্যা চোরা এবং এওয়াজপুরের ফাইক্কা চোরা উনবিংশ শতাব্দীর ষাটের দশকের গ্রামীণ রাজনীতিতে জয়লাভ করে বাংলাদেশে সক্রিয়। ঊনবিংশ শতাব্দীর সেই ষাটের দশকের গ্রামের রাজনীতির বিজয় সব সময় এম:বি:বি:এস: ডাক্তারি কোর্সের ছাত্র মোঃ আবুল কাশেমকে (বাংলাদেশের এনআইডি 4611341977; মোবাইল নম্বর 01738987101, বর্তমানে সাংবাদিকতা করছেন) সব ধরণের হানাহানির নেতৃত্বে জিরো/শূন্য ( মানহীন) বলে থাকে। সাবেক নোয়াখালী জেলা ও তৎপরবর্তী বাখরগঞ্জ জেলা এবং তৎপরবর্তী বরিশাল জেলার ভোলা মহকুমা বা বর্তমান ভোলা জেলার চরফ্যাসন থানা এবং প্রাক্তন লালমোহন থানা বা বর্তমান শশিভূষণ থানা এলাকার সাবেক বৃহত্তর মাইনকা ইউনিয়ন ও অখন্ড রসুলপুর ইউনিয়নের বা বর্তমান এওয়াজপুর ইউনিয়নে হাজারীগঞ্জ ইউনিয়ন গ্রাম্য রাজনীতির রোষানলে ও কোপনলে আওলাদ (২৫), রিদয় (১৬) ও রাব্বি (১২)। হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট (এইচআরএম) অনুসারে, ভোলা জেলার বর্তমান দৌলতখান উপজেলা এলাকা এক সময় ভোলা মহকুমা সদরের প্রশাসনিক কাঠামোর অধীনে ছিল। পরিস্থিতি ও ঘটনার বর্ণনায় জানা যায়, বর্তমান নোয়াখালী জেলার বাসিন্দা, সাবেক ভোলা মহকুমা সদর ও বর্তমানে দৌলতখান উপজেলার মোখলেছ্যা চোরারা ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে বর্তমান শশীভূষন থানার এওয়াজপুর ইউনিয়নের তিন নং ওয়ার্ডের তাজল হাওলাদার বাড়ির লোকজনের মারপিট খায় যা শশিভূষণ থানার এওয়াজপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের নির্বাচনী ভোটের মাঠে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহেদ আলীর পক্ষ প্রচারে ঘটে। শশীভূষণ থানার ঐ এওয়াজপুর ইউনিয়নের দুই নং ওয়ার্ডের দর্জি বাড়ির বর্তমান মৃত ও তৎকালীন জীবিত বাসিন্দা মোঃ হানিফ দর্জিকে মারধর করে প্রতিশোধের জের ধরে। হানিফ দর্জি, যিনি বৃহত্তর মাইনকা ইউনিয়নের এওয়াজপুর ইউনিয়ন বা অখন্ড রসুলপুর ইউনিয়ন বা পরবর্তী হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের মাটি ও মানুষের ভদ্রতার আদি পিতা, বর্তমানে তিনি আওলাদ (25), রিদয় (16) এবং রাব্বি (12) হিসাবে অবতারিত হয়েছেন। উল্লেখিত হানিফ দর্জি অখন্ড হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের কুট্টি চেয়ারম্যানের দলের লোক হলেও অন্য রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা শুধুমাত্র রাজনৈতিক কারণে হানিফ দর্জি বিরোধী আচরণে লিপ্ত রয়েছে। হানিফ দর্জি ঊনবিংশ শতাব্দির ষাটের দশকে স্থানীয় গ্রামীণ রাজনীতির পরাজিত শক্তি ছিদ্দিক কেরানী বাহিনীরও সমর্থক। তাই বিজয়ী শক্তি আব্দুল মোতালেবের উত্তরসূরি (পুত্র) মান্নান বা ফাইক্কা চোরা গ্রুপ – উক্ত হানিফ দরজির দৌহিত্র আওলাদ (২৫), রিদয় (১৬) এবং রাব্বি (১২) কে গত ১২/০৯/২০২৪ ইং তারিখে লোক সমাজের সামনে বিকালে হানিফ দরজির মরণোত্তর অপমান করেছে। লোক সমাজ তাদের (আওলাদ, রিদয় এবং রাব্বি) এক জন ইউপি সদস্য মামার সামনে তাদের ভবিষ্যৎকে অপমানিত করার জন্য এমন আচরণ করেছে। বিষয়টিকে ছদ্মবেশ না দিয়ে, ১৩/০৯/২০২৪ ইং তারিখে সকাল নয়টায় গ্রাম্য লোক সমাজি বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে ওই গ্রাম্য লোক সমাজি বৈঠক বক্তৃতার প্রাক্কালে হিংসাত্মক, বিশ্রী ও কুৎসিত রাজনীতির নায়ক মান্নান জোড়ালো সাহসী কন্ঠে বিশ্ব রাজনীতির গোপন দ্বিতীয় জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার স্থানীয় প্রবক্তাদের সামনে প্রকাশ করে অন্য গোপন রহস্য। দ্বিতীয় ইউনাইটেড নেশনস অর্গানাইজেশন এর গোপন সদর দফতর সিরাজের দোকানে ঐ কথিত মান্নানের কথা থেকে জানা যায়, এওয়াজপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার রুহুল আমিন কালু হাওলাদারের ছেলে আলমগীর, স্বপন, রিপন ও ইউসুফ এবং ভাই রফিক হাওলাদার মান্নানের মেয়েদেরকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করেছে। এ কারণে মান্নান তার বড় ভাই ইউনুসের নেতৃত্বে এক নং ওয়ার্ড ছেড়ে ২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা হয়েছে। খবর অনুযায়ী জানা যায় যে, কালু হাওলাদারের ছেলেরা তাদের ইজ্জত পাংচার করার কারনে মোতালেব মেম্বারের ছেলে মান্নানকে মারধর করবে। এ ব্যাপারে কালু হাওলাদারের সাথে কথা বলে জানা যায়, সন্ত্রাসী মোতালেব মেম্বারের সন্ত্রাসী ছেলে মান্নান ও বর্তমান নোয়াখালীর মোখলেছ্যা চোরা ও এওয়াজপুরের ফাইক্কা চোরাদের পিঠে শনির দশা থাকবে। মোখলেইচ্ছা চোরা হলো আরেক ধর্ষক মহিউদ্দিন কয়াল (পিতা- মৃত: নুরিসলাম সিকদার) এর চাচাতো বোন ফাতেমার শ্বশুর। ফৈক্কা চোরা ও মোকলেইচ্চা চোরারা তাদের চুরির পেশাকর্ম টিকিয়ে রাখার জন্য, ফ্রান্সের বিরোধিতা (সময় নিউজ নামক অনলাইন পোর্টালে, “তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের শঙ্কা ফ্রান্সের!”, ও “বিশাল মহড়ার ঘোষণা চীন-রাশিয়ার, এশিয়া নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি!” — শিরোনামে গত ১৫/০৯/২৪ ইং তারিখে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী) সত্ত্বেও তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ চালুর তৎপরতায় নিয়োজিত থাকার খবর পাওয়া গেছে। অন্যদিকে ভোলা জেলার সাবেক এমপির খুনি কিংবা খুনের মাষ্টার মাইন্ড সন্ত্রাসী মোতালেব মেম্বার ও সন্ত্রাসী ছিদ্দিক কেরানীর বর্তমান উপস্থিতি সন্ত্রাসী মান্নান এলাকায় সবাইকে টেক্কা দিয়ে চলে ও ইরি খেতের ম্যানেজারির আড়ালে সকল হিংসাত্মক, ধংসাত্মক, বর্বর ও জঘন্য অসভ্যতাবাদী কাজকর্ম করে। তাই উক্ত সন্ত্রাসী মান্নানকে দ্রুত আইনের আওতায় ধ্বংস করা প্রয়োজন।