রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধি: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য কতগুলো মৌলিক সংস্কার অবশ্যই করতে হবে। আমরা সেই সংস্কারগুলোর কথা বলেছি। আমরা সংস্কারগুলো আদায় করে ছাড়ব। সুষ্ঠু নির্বাচনও ইনশাআল্লাহ আদায় করে ছাড়ব। আজ ৪ জুলাই শুক্রবার সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে রংপুর জিলা স্কুল মাঠে জামায়াতে ইসলামীর বিভাগীয় জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রংপুর মহানগরী ও জেলা জামায়াত এ জনসভার আয়োজন করে। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, কেউ যদি আওয়ামী ফ্যাসিবাদের আমলের নির্বাচনের স্বপ্ন দেখে থাকেন, আমরা মহান আল্লাহর সাহায্যে সেই স্বপ্নকে দুঃস্বপ্নে পরিণত করব। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে দেয়া হবে না। কোনো প্রশাসনিক ক্যুকরতে দেওয়া হবে না। ভোটকেন্দ্রে কোনো মাস্তানি চলবে না, কালো টাকার কোনো খেলা সহ্য করা হবে না। বর্তমান অবস্থায় সুষ্ঠু নির্বাচনের কল্পনাও করা যায় না। আমরা সুষ্ঠু নির্বাচনও আদায় করে ছাড়ব। জামায়াত আমির বলেন, জনতার ম্যান্ডেট নিয়ে যারা ক্ষমতায় যাবে তাদের অভিনন্দন জানাতে জামায়াতে ইসলাম এখন থেকেই প্রস্তুত। তবে জামায়াত ক্ষমতায় গেলে চব্বিশের ছাত্র-জনতাকে বুকে নিয়ে এগিয়ে যাব। প্রশাসনকে নিরপেক্ষ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রশাসন নিরপেক্ষ থাকলে জামায়াত তাদের পাশে থাকবে, না হলে সবার আগে জামায়াত তাদের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে। তিনি আরও বলেন, আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে আমরা বহু ধরনের ষড়যন্ত্রের কথা শুনতে পাচ্ছি, বহু ধরনের কথা ময়দানে শুনতে পাচ্ছি। বহু ধরনের ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আলামত বুঝতে পারছি। আমরা সবাইকে স্মরণ করিয়ে দেই শেখ হাসিনা, তার হাতে সকল বাহিনী ছিল। সব জায়গায় নিজের লোক বসিয়েছিল। মাস্তানদের দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করেছিল। কিন্তু যখন জনগণের জাগরণ, জনগণের বিস্ফোরণ হলো, তখন কি তাকে আর কেউ রক্ষা করতে পেরেছে? তা হলে যেই জনগণ এতো মূল্য দিয়ে একটা পরিবর্তন এনেছে, সেই জনগণ আরেকটা ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে দেবে না ইনশাআল্লাহ। জামায়াতের আমির বলেন, আমরা কথা দিচ্ছি ফ্যাসিবাদ বিরোধী এই লড়াই চলবে। ফ্যাসিবাদেকে নিশ্চিহ্ন না করা পর্যন্ত আমাদের লড়াই কেউ থামাতে পারবে না। জনসভায় আরও বক্তব্য দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম, নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, মাওলানা আব্দুল হালিম, উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, অধ্যক্ষ সাহাব উদ্দিন প্রমুখ। দীর্ঘ ১৭ বছর পর রংপুরে আয়োজিত এ জনসভা বিকাল ৩টায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও জুমার নামাজের পরই জনসভার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সমাগমে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় রংপুর জিলা স্কুল মাঠ। লোকসমাগম মাঠ ছেড়ে উপচে পড়ে সড়কে। জনসভা থেকে আগামী নির্বাচনে রংপুর বিভাগের ৩৩টি আসনে জামায়াতের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মধ্য দিয়ে জাতিসংঘ...







