কে এই উমামা ফাতেমা !!
আওয়ামী ফ্যাসিবাদের ছাত্র ছায়ায় বেড়ে উঠা বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের সম্পাদক ওমামা ফাতেমা বামপন্থি এক বিশাল গুপ্ত এজেন্ট।
জন্ম স্থান চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি এলাকার হারুয়ালছড়ি গ্রামে।
সমন্বয়ক পরিচয়ে মুক্তচিন্তাবাদী খোলসের ডিল্পোমেটিক নতুন চরিত্র।
কিছুদিন আগে দেশের এক নাম্বার লুটেরা প্রতিষ্ঠান এস আলম গ্রুপ থেকে অনৈতিক টাকা লেনদেনের একটা বিষয় প্রকাশ হলে উমামা ফাতেমা দাবী করেছিলেন তিনি এস.আলম পরিবারের ঘনিষ্ঠ আত্নীয়। অথচ এস. আলম পরিবারে কোন আত্মীয় ফটিকছড়িতে নেই।
খবর পাওয়া যায় তার বাবা এস.আলম গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ক্যাশ কাউন্টারে চাকুরী করত মাত্র। অথচ জুলাই আন্দোলনের পরেই হঠাৎ করে তার দুই ভাই-বোন অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমায়।
খবর পাওয়া যায়, উমামা ফাতেমা সমন্বয়ক থাকাকালীন এস.আলম গ্রুপ থেকে একটা বড় অংকের ডোনেশন গ্রহণ করে। সে ডোনেশন নিয়ে পরে তার সাথে বাকি সমন্বয়কদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হলে উমামা ফাতেমা নিজেই এই সমন্বয়ক পদ থেকে ঘোষণা দিয়ে সরে আসে ।
উমামা ফাতেমা নিজেকে বাম নেত্রী হিসেবে পরিচয় দিলেও পারিবারিকভাবে উমামার পরিবার চট্টগ্রাম ফটিকছড়ির মাইজভান্ডার দরবার ভক্ত। আর এই মাইজভান্ডার দরবার শরিফের সুফি এক্টিভিটস-রা-
হলো আওয়ামী লীগের পরীক্ষিত দালাল । তাদের রাজনৈতিক দল “তরিকত ফেডারেশন” থেকেই নজিবুল বশর মাইজভান্ডারিকে আওয়ামী লীগ এম.পি নমিনেশন দিয়েছিল।আর এই তরিকত ফেডারশনকে ব্যবহার করেই ২০১০ সালের ২১শে মার্চ শহীদ আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর বিরুদ্ধে ট্রাইবুনালে প্রথম মামলা করা হয়েছিল।
চট্টগ্রামের বাইজিদ এলাকায় ক্লিফটন গ্রুপে চাকুরী কৃত তার মামা ফটিকছড়ি যুবলীগের নেতা ছিলো।
আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পতনের পর তাদেরি ক্রীড়া নক হিসেবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তথা দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করার এজেন্ডা নিয়ে মাঠে ছড়িয়ে আছে ওমামা ফাতেমা আর তাদের মত অসংখ্য এজেন্ট।
এদের চিহ্নিত করে সামাজিক এবং রাজনৈতিক ভাবে বয়কট করা এখন সময়ের দাবী। নইলে এদের চরিত্রহীন রাজনীতি চর্চার কারনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলো বীষ বাষ্পে পরিণত হবে,বাষ্পীভূত হবে সমাজ ও রাষ্ট্র।
_____মু.কামরুল ইসলাম








