লুৎফুজ্জামান বাবরের একটা ভিডিও সামনে এলো। তাকে সাংবাদিকরা জিজ্ঞাসা করছিলেন,
“আচ্ছা, আপনি কি মন্ত্রিত্বের আশা করছেন?”
উনি উত্তর দিলেন-
“আমি ভাই কোনো কিছুর আশাই করি না। আমি শুধু আল্লাহ্র কাছে শুকরিয়া আদায় করি। আমার গলায় ফাঁসির দড়ি লাগানো ছিল। আমার বাঁচার কোনো আশা ছিল না। আল্লাহ্ পাক সেখান থেকে তুলে এনে আমাকে এমপি বানিয়ে দিয়েছেন। আমার দল এখন রাষ্ট্রক্ষমতায়। আমার নেতা আজকে প্রধানমন্ত্রী। আমি এর চেয়ে বেশী আর কী চাইব আল্লাহ্র কাছে?
আমি খালি হাত তুলে আল্লাহ্র কাছে দোয়া করি যে, আল্লাহ্, আপনি যা দিছেন আলহামদুলিল্লাহ্। আপনার শুকরিয়া আদায় করে শেষ করতে পারবো না।
আমি যদি এরপরও কোনো কিছু নিয়ে আফসোস করি, তাহলে তো আল্লাহ্ আমারে বলবে—তোরে এত দেওয়ার পরে আফসোস করোস কেমনে?
তাই ভাই, আমার আর কোনো কিছু নিয়ে কোনো আফসোস নাই। যেভাবে আছি, যে অবস্থায় আছি—আলহামদুলিল্লাহ্। আল্লাহ্ অনেক ভালো রাখছেন। ”
কথাগুলো শুনে খুব ভালো লাগল। এভাবেও কিন্তু চিন্তা করা যায়। ২০০১-০৬ যে বাবরকে দেখেছি সেই বাবরের সাথে এই বাবরের চিন্তা-ভাবনার কত পার্থক্য। আমরা যদি না-পাওয়ার আফসোসের চেয়ে যা পেয়েছি সেগুলোর দিকে তাকাতে পারতাম, তাহলে কৃতজ্ঞ হওয়ার অনেক কিছু পেতাম।
আজ সন্ধ্যা থেকে বাংলাদেশে রামাদান শুরু হচ্ছে। আসুন, রামাদানের প্রস্তুতি নেই। আল্লাহ্র প্রতি কৃতজ্ঞ হই। বেশি বেশি শোকরগুজার হই। ইনশাআল্লাহ্, আল্লাহ্ পাক আমাদের প্রতি তার নেয়ামত আরও বৃদ্ধি করে দিবেন।







