আপনাদের মনে আছে, গত বছরের জুলাইতে গুলশানে এক রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী ও রিহ্যাবের প্রাক্তন সভাপতি মুকাররম হোসাইন খানের বাসায় তার প্রাক্তন স্ত্রী বিএনপির মহিলা দলের সহ-সভানেত্রী লুটপাট, ভাংচুর চালিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা ও স্বর্ণ চাঁদা নিয়ে খবরের শিরোনাম হয়েছিলো, ছবির এই ফটর ফটর ভুলভাল ইংলিশ সাংসদ হচ্ছেন সেই নারী জীবা আমিন খান; এই নারীর আরও কেচ্ছা আছে।
জীবা আমিন খানের পিতা কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী আখতার উদ্দিন আহমদ ছিলেন মুসলীম লীগ নেতা এবং ১৯৭১ সালের মালেক মন্ত্রিসভার সদস্য। ২০১২ সালে ঝালকাঠি মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কিন্তু আখতার উদ্দিন আহমদের নাম রাজাকার ও অন্যান্য পাকিস্তানি সহযোগীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রেরণ করেছিলো। পরে অনুসন্ধানে আখতার উদ্দিন আহমদের যুদ্ধাপরাধের প্রমাণও পাওয়া গিয়েছিলো।
জীবা আমিন খান ১৯৮৩ সালের জুলাইয়ে লন্ডনে নিয়াজ বিন করিম নামের এক জামায়াত নেতাকে বিয়ে করে। এরপর পরকীয়া করা অবস্থায় ২০০৫ সালের সেপ্টেম্বরে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)ʼর প্রাক্তন সভাপতি মুকাররম হোসাইন খানকে বিয়ে করে। এরপরও জীবা আমিন খানের নষ্টামি চলতেই থাকে, তাই মুকাররম হোসাইন খানের সঙ্গে তার ডিভোর্স হয় ২০২০ সালের দিকে। চব্বিশের ষড়যন্ত্রের পর ২০২৫ সালের জুলাইয়ে, তার বিরুদ্ধে প্রাক্তন স্বামী মুকাররমের অ্যাপার্টমেন্টে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট এবং গৃহকর্মীদের জিম্মি করে বিপুল অঙ্কের অর্থ ও স্বর্ণের গহনা লুট করার অভিযোগ আনা হয়েছিলো।
জীবা আমিন খান লন্ডনভিত্তিক বর্তমানে বিলুপ্ত প্রতিষ্ঠান চিলড্রেন প্যারাডাইসের সাথেও যুক্ত ছিলেন। এই চিলড্রেন প্যারাডাইসের বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতনের অভিযোগেও তিনি অভিযুক্ত।
বিএনপি ক্ষমতায় থাকবে আর লুকিং ফর শত্রুজʼরা সংসদ মাতাবেন না, তা কীভাবে হয়? জীবা আমিন খান ও বাবরই বিএনপি-জামায়াত সংসদের অলঙ্কার!








