আমার মাথায় একটা বিষয় অনেকদিন ধরেই ঘুরছে — তারেক রহমান কেন শুধু একজন সন্তান নিয়েছেন? তাও আবার কন্যাসন্তান। রাজনৈতিক পরিবারের মানুষ হলে অনেকেই তো ভবিষ্যৎ, উত্তরাধিকার, ক্ষমতা এসব ভেবে একাধিক সন্তান নেন। কেউ কেউ তো পুত্রসন্তানের আশায় বারবার বিয়ে পর্যন্ত করেন। সেখানে তিনি সম্পূর্ণ ভিন্ন পথ বেছে নিয়েছেন — এটা আমাকে সত্যিই ভাবায়।
আমি এটা কোনো রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে নয়, একজন মানুষ হিসেবে ভাবছি। হয়তো তিনি চাননি তাঁর সন্তান রাজনীতির কঠিন, ঝুঁকিপূর্ণ পথে জড়াক। হয়তো তিনি বিশ্বাস করেন, সন্তান মানেই সংখ্যা নয় — একজন সন্তানের মধ্যেই পুরো ভালোবাসা, দায়িত্ব আর স্বপ্ন ঢেলে দেওয়া যায়। আবার এটাও হতে পারে, তিনি নিজের ভবিষ্যৎ বা ক্ষমতার উত্তরাধিকার নিয়ে ভাবেনই না — বরং মানুষ হিসেবে, বাবা হিসেবে নিজের জায়গা থেকে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
আর সবচেয়ে সুন্দর বিষয় হলো — তিনি কন্যাসন্তানকেই সম্পূর্ণ সম্মান ও ভালোবাসার সঙ্গে গ্রহণ করেছেন। আমাদের সমাজে যেখানে এখনো অনেক জায়গায় পুত্রসন্তানকে প্রাধান্য দেওয়া হয়, সেখানে একজন প্রভাবশালী মানুষ হয়ে কন্যাসন্তানকে নিয়েই গর্ব করা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় মানবিক দৃষ্টান্ত।
হয়তো তিনি চান তাঁর প্রজন্ম রাজনীতির বাইরে শান্ত, নিরাপদ জীবনে বড় হোক। হয়তো তিনি বিশ্বাস করেন, দেশপ্রেম শুধু ক্ষমতায় গিয়ে প্রমাণ করতে হয় না — দায়িত্বশীল, নৈতিক, সংবেদনশীল মানুষ তৈরি করাও দেশপ্রেমেরই অংশ।
আমি কোনো সিদ্ধান্ত দিচ্ছি না, কোনো ভবিষ্যদ্বাণীও না — শুধু একজন সাধারণ মানুষের দৃষ্টিতে বিষয়টা আমার ভালো লেগেছে বলেই লিখলাম। রাজনীতির বাইরে গিয়েও কিছু সিদ্ধান্ত থাকে, যেগুলো মানুষকে মানুষ হিসেবে সুন্দর করে তোলে। আর এই জায়গাটাই আমার কাছে সবচেয়ে মূল্যবান মনে হয়েছে।
এটি কোন রাজনৈতিক পোস্ট না,, নিজস্ব উপলব্ধি।
একজন বাবা, একজন মেয়ের বাবা, একজন মানুষ হিসেবে মনমানসিকতা।
সংগৃহীত।








