আমেরিকা যখন ব্রিটেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে, যখন স্বাধীন হবে তখন তার(আমেরিকার) কলোনি ছিল ১৩ টি। এই ১৩ টি কলোনি মিলে একটি রাষ্ট্র গঠন হয়। এই ১৩ টি কলোনি ব্রিটেনের বিরুদ্ধে প্রথম যুদ্ধ করেছিল। তাই এর নামকরণ করা হয় যুক্তরাষ্ট্র। পরবর্তীতে আরও ৩৭ টি প্রদেশ যুক্ত হয়।
আমেরিকা একটি ফেডারেল রাষ্ট্র। অর্থাৎ আমেরিকার সংবিধানে দ্বৈত নাগরিকতা রয়েছে,
একটি আমেরিকার এবং
অন্যটি সেই রাজ্যের বা প্রদেশের।
এজন্যই আমেরিকাকে যুক্তরাষ্ট্র বলা হয়।
আমরা আমেরিকার পতাকার দিকে লক্ষ্য করি:
পতাকাটিতে দেখতে পাচ্ছি লাল সাদা ডোরা। আপনারা যদি গুনেন তাহলে সংখ্যা হবে ১৩ টি। যা তাদের ইতিহাস ঐতিহ্য বহন করছে। আমরা আরো দেখতে পাচ্ছি এখানে ৫০টি তারকা রয়েছে, এ পঞ্চাশটি তারা দিয়ে ৫০টি অঙ্গরাজ্য কে বোঝানো হচ্ছে।
ব্রিটেনকে যুক্তরাজ্য বলা হয় কেন:
ব্রিটেন চারটি রাজ্য নিয়ে গঠিত হয়েছে এজন্য একে যুক্তরাজ্য বলা হয়।
দ্য ইউনাইটেড কিংডম অফ গ্রেট ব্রিটেন এন্ড নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড এর সংক্ষিপ্ত রূপ হল ‘ইউকে’ বা যুক্তরাজ্য। শুনতে অনেক গালভরা এই নামটির পেছনে রয়েছে বেশ কয়েকটি রাজ্য বা দেশ। ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস এবং নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড নিয়ে গঠিত হয়েছে যুক্তরাজ্য।






