ডিমওয়ালা বড় ডিম বেছে রাখেন আমার জন্য। প্রতি ডিমে আট আনা বেশি দিয়ে বাছাই তিরিশটা ডিম নিই। . একটু আগে গেলাম ডিম আনতে। সেখানে এক মহিলা এসেছেন। তিনি ভাঙা ডিম কিনবেন। একটু কম ভাঙা দেখে চারটা ডিম নিলেন তিনি। তারপর, আঁচলের খুঁট থেকে দশটা টাকা বের করে দিলেন। দোকানদার বললো, আরো পাঁচ টাকা লাগবে। কিন্তু, উনার কাছে তো আর টাকা নাই। অগত্যা, ডিম রেখেই চলে যেতে হলো মহিলাকে। . আমার একবার মনে হলো, মহিলাকে বলি, আপনার পাঁচ টাকা আমি দিয়ে দিচ্ছি, আপনি ডিমগুলো নিয়ে যান। পরমুহূর্তে মনে হলো, মহিলা মনে আঘাত পেতে পারেন। উনি চলে গেলেন। আমি মনে মনে খোদাকে ধন্যবাদ দিলাম। উনি আমাকে একবারে ২৪০ টাকার ডিম কিনে ফেলার ক্ষমতা দিয়েছেন। . একদিন গেছি খিলগাঁও, মুরগী কিনতে। দোকানদার আমাকে বেশি করে মুরগী ধরিয়ে দিতে চেষ্টা করে, আমি কম নিতে আকুতি জানাই- এই হলো আমার মুরগী কেনার রুটিন। সেদিনও বারোটা মুরগী ধরিয়ে দিলো। কেটে, বেছে আমার হাতে মুরগির ব্যাগটা ধরিয়ে দেবে, এমন সময় এক মহিলা এলেন। উনি আমার মুরগিগুলোর চামড়া আর ঠ্যাং কিনবেন। . আমি দরদাম করতে পারিনা তেমন। মহিলা চরম দরদাম করলেন। দোকানদারের একশো টাকার দাবি। মহিলা চল্লিশের উপরে উঠবেন না। শেষমেশ চল্লিশ টাকায়ই রফা হলো। পালকসুদ্ধ চামড়া আর ঠ্যাং নিয়ে চলে গেলেন মহিলা। . বিশ্বাস করেন, আমার খুব ইচ্ছে করছিলো, দোকানদারকে বলি, আমার ব্যাগ থেকে একটা মুরগী মহিলাকে দিয়ে দেন। কেনো যে বলিনি, সেজন্য আজও আমার আফসোস হয়। . ফেরার পথে আল্লাহকে শতকোটি শুকরিয়া জানালাম। খোদা আমাকে, আমার পরিবারকে কত্তো ভালো রেখেছেন! . কমলাপুর স্টেশনে রাস্তার একপাশে সারি সারি খাবারের দোকান। পোলাও, রোস্ট, কাবাব, রেজালা, চাইনিজ আরো কত রকম খাবাত পাওয়া যায় সেথায়। রাস্তার উল্টোপাশে একটা দোকান বসে মাঝেমধ্যে। সেখানে বিয়েবাড়ির উচ্ছিষ্ট পোলাও-রোস্ট বিক্রি হয়। সেগুলো কিনে খায় ছিন্নমূল মানুষেরা। . আল্লাহ আমাকে বেশি টাকায় ভালো খাবার কিনে খাবার সামর্থ্য দিয়েছেন। আল্লাহর কতো দয়া! রি পোস্ট
জাতীয় পর্যায়ে “”শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক” সম্মাননা পেলেন রামু ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ
জাতীয় পর্যায়ে ""শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক" সম্মাননা পেলেন রামু ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ নিজস্ব প্রতিনিধি কক্সবাজার থেকে (কামরুন তানিয়া)...









