১৯৩২ সালে চট্টগ্রাম পাহাড়তলী ইউরোপিয়ান ক্লাবে একটি সাইনবোর্ড ছিল সেখানে বলা হয়েছিল।
Dogs and Indians are not allowed
(কুকুর ও ভারতীয়দের প্রবেশ নিষেধ)
তবে সবাইকে আমার জানিয়ে রাখা দরকার ১৯৩২ সালে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান নামে কোনো রাষ্ট্র ছিল না।১৯৩২ সালে পুরো রাষ্ট্রেরই নাম ছিল ব্রিটিশ ইন্ডিয়া। কিন্তু আমার কাছে মনে হয়েছে তখনকার আমলে ভারত কে অপমান করার মানে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান কে অপমান করা। যেহেতু সে সময় তিন রাষ্ট্র ভাগ করা ছিল না।
সাহসী বাংলার কন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার অভিযান আগে একটি বিদায়পত্র লিখেছিলেন।
“আমি আজ এমন এক কাজ করতে যাচ্ছি, যার পর আর ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই।
দেশের জন্য প্রাণ দিতে পারলে আমি নিজেকে ধন্য মনে করব।
যদি আমার মৃত্যু হয়, জানবে আমি পরাধীনতার অপমান সহ্য করতে পারিনি।”
আমার জানামতে প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার নাকি পুরুষ ছদ্মবেশে চট্টগ্রামে পাহাড়তলী ইউরোপিয়ান ক্লাবে ২৩ সেপ্টেম্বর গেয়েছিলেন। প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার এবং তার দল রাতের অন্ধকারে বিপ্লবীরা ক্লাবে আক্রমণ করেছিলেন। তারপর যা হলো ইংরেজ দলেরা আগুন বোমা গুলি নিক্ষেপ করতে শুরু করল। কিন্তু তখনই এক ইংরেজ এসে প্রীতিলতা কে গুলিবিদ্ধ করে। সবাই যাতে বুঝতে না পারে তিনি নারী সেজন্য সায়ানাইড গ্রহণ করেন।তারপর তিনি মারা যান। তখন তার বয়স ছিল মাত্র ২১ বছর।🥺🥺
বাংলাদেশ পাঠ্যবইয়ে নবম – দশম শ্রেণী প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার জীবন কাহিনী উল্লেখ্য করা আছে।
ফাঁসির আগে সূর্য সেন বলেছিলেন,
“আমরা ভারতবাসী।
আমরা দাসত্বে জন্মাইনি।
স্বাধীনতা আমাদের জন্মগত অধিকার।”
চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার অভিযান প্রসঙ্গে সূর্য সেন বলেছিলেন,
“আমরা যদি আজ অস্ত্র না ধরি,
আগামী প্রজন্ম আমাদের কাপুরুষ বলবে।”
চট্টগ্রামে পাহাড়তলী ইউরোপিয়ান ক্লাবের ঘটনার পর সূর্য সেন বলেন,
“যে জাতি আমাদের কুকুরের চেয়েও নীচু মনে করে,
তার শাসন মেনে নেওয়া পাপ।”
এ কথাটিই প্রীতিলতার অভিযান আগে বলেছিলেন ।
প্রীতিলতা, কল্পনা দত্ত সম্পর্কে সূর্য সেন বলেছিলেন,
“নারী যদি জাগে,
পরাধীনতা একদিনও টিকে থাকতে পারে না।”
ফাঁসির আগে সূর্য সেন বলেছিলেন,
“মৃত্যু আমার কাছে শেষ নয়,
এটি সংগ্রামের একটি ধাপ মাত্র।”
সূর্যসেন থেকে শেখা উচিত পুরুষত্ব কাকে বলে।








