পাকিস্তান ও আফগানিস্তান হয়ে ইরান হচ্ছে ইউরোপের মানবপাচারের কেন্দ্র। একইভাবে চোরাচালান , অস্ত্র ও নারী পাচারের গোল্ডেন ট্রানজিট হয়ে ব্যবহৃত হচ্ছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের জঙ্গীদের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক ভিত্তির একটি হচ্ছে মানবপাচার। খামেনি সরকারের পতনের সাথে সাথে আরব বিশ্বে এক নতুন যুগ সৃষ্টি হবে।
ভারত বাংলাদেশের চারপাশে কাঁটাতার নির্মাণ শেষ করলেই বাংলাদেশ স্থল বিচ্ছিন্ন একটি দ্বীপে পরিণত হবে। মানবপাচার , চোরাচালান ও অস্ত্র এসব বন্ধ হয়ে গেলে বাংলাদেশের জঙ্গিগোষ্ঠী গুলো পাকিস্তানের সাথে কার্যত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে হতাশায় ভোগা শুরু করে দিবে। মাদুরোকে দিয়ে যে রাজনীতি শুরু হয়েছে তা ( OPEC) এর কতৃত্ব খর্ব করবে। ইরানের খামেনি শাসন টিকাতে ব্যর্থ হলে রাশিয়া ও চীন পিছিয়ে পড়বে।তাতে ভবিষ্যতের (RIC )জোটের উপর নিজেদের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার স্বার্থে ভারত , চীন ও রাশিয়া ঐক্যবদ্ধ হবে।খামেনি পতনের সাথে সাথে বিশ্ব এক আধুনিক প্রযুক্তির যুগে প্রবেশ করবে।তাল মিলিয়ে চলতে পারলে আপনার অস্তিত্ব থাকবে , নয়তো পরিণতি হবে ভেনেজুয়েলার মাদুরোর মতো।
সমগ্র ইরানে খোমেনি এক গণহত্যার রাজনীতির করছেন। ইরানের মানুষের খেতে কষ্ট হয়ে যাচ্ছে। জীবন ও জীবিকা যেখানে কঠিন হয়ে গেছে সেখানে ইরানের মানুষ হাসতে হাসতে ” মোল্লা মাস্ট গো” বলে এগিয়ে যাচ্ছে খোমেনির রাজপ্রাসাদের দিকে।এই রাজপ্রাসাদ উপড়ে ফেলতে পারলে পৃথিবীর জ-ঙ্গীবাদ ৫০ শতাংশ নাই হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে ভারত , চীন ও রাশিয়া নিরব দর্শকের ভুমিকায় অবতীর্ণ হবে। অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করার মতো পরিস্থিতি রাশিয়া, চীন ও ভারত কারোই এখন নেই। সেক্ষেত্রে ভারত তার নিজ দেশের স্বার্থে চুপচাপ থাকবে এটাই স্বাভাবিক।
ইরানের মোল্লাতন্ত্র অবসান হয়ে গণতন্ত্র ফিরে এলে ইরান আগামীর এক সমৃদ্ধ ইরানে পরিণত হবে। ইরানকে এই সুযোগ তুরস্ক কখনোই দিতে চাইবে না।যার ফলে ইরানের ভবিষ্যৎ নেতা ইরানকে বাছাই করে নিতে হবে। এই সুযোগটা কাজে লাগতে পারলে তুরস্কের অভ্যন্তরীণ অস্থিতিশীল রাজনীতির সুযোগ ইরান নিতে পারে। এর সাথে সাথে এরদোগানের পতনের সুর বেজে উঠতে শুরু করবে।জঙ্গীবাদের মদদদাতা তুরস্ক খোমেনির পতনের সাথে সাথে দূর্বল হতে থাকবে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ভবনে আগুন খোমেনির পতনের সবুজ সংকেত। ইতিমধ্যে খোমেনি ইরানের ৪৫ জন নিরীহ নাগরিকদের হত্যা করেছেন। ইরানের ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। মানুষ হত্যা করে খোমেনি বেশীদিন টিকতে পারবে না।দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে সমগ্র ইরানে।এই দাবানল মানুষ হত্যার মোল্লা রাজনীতি পুড়িয়ে ছারখার করে দিবে। নতুন এক আধুনিক ইরানের সাক্ষী হবে সমগ্র বিশ্ব।এই ঢেউ বাংলাদেশেও আসছে। শুধু অপেক্ষা করুন।খেলা দেখুন, খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করুন।
বাংলাদেশ – ভারত -পাকিস্তান – আফগানিস্তান – ইরান হচ্ছে জঙ্গীদের বিশাল এক রুট। বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ভারত তা রুখে দিতে পারলেই জঙ্গীবাদের গোল্ডেন এজ পুরোই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।এই সুযোগে মধ্যপ্রাচ্য থেকে জঙ্গীদের অর্থায়ন এক এক করে বন্ধ হতে থাকবে।এই বিপর্যয়ে সবচেয়ে বড় ধাক্কা খাবে তুরস্কের এরদোয়ান সরকার। ক্ষমতার পরিবর্তন হবে পাকিস্তান ও বাংলাদেশে।
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সরকার পরিবর্তনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখবে রাশিয়া , ভারত ও চীন। আমেরিকা বিরোধী একটি শক্তিশালী জোট তৈরি হবে। ইরান ও তুরস্কের জঙ্গীবাদী শাসনের অবসানের মাধ্যমে পুরো বিশ্ব আধুনিক প্রযুক্তি প্রতিযোগিতার এক নতুন বিশ্বে প্রবেশ করবে।এই সুযোগে যারাই জঙ্গীবাদ মুক্ত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখবে তারাই পৃথিবীতে এগিয়ে যাবে। এর ব্যতিক্রম হলে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে। এই ভূখণ্ড নিয়ে শুরু হবে আন্তর্জাতিক নতুন এক রাজনীতি। এই সুযোগটাই আগামীর বিশ্বে কারা নিচ্ছে তাই এখন দেখার বিষয়।
জঙ্গীবাদী খোমেনির সরকার পতনের সাথে সাথে রাজনৈতিক ভাবে সবচেয়ে বড় ধাক্কা খাবে জামায়াতে ইসলামীর মতো জঙ্গীবাদী রাজনৈতিক দলগুলো। তুরস্ক তখন নিজেদের রক্ষা করতে জঙ্গীবাদী রাজনীতির অর্থায়ন বন্ধ করবে , নয়তো তুরস্কের পরিণতি হবে ইরানের মতো। ভারত , চীন ও রাশিয়া তাদের নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা করতেই বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে আমেরিকার সমর্থিত পুতুল সরকারদের গদি থেকে উচ্ছেদ করবে। তাই সমগ্র বাংলাদেশে এখনই স্লোগান উঠুক –
” মোল্লা মাস্ট গো” তবে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এই বসন্তের তৃতীয় পর্বের মঞ্চায়ন শুরু হবে বাংলাদেশে। একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়তে প্রতিটি বিবেকবোধ সম্পন্ন মানুষের স্লোগান হোক –
” জঙ্গীবাদ মাস্ট গো” ।
ইরানের খোমেনির পতনের সাথে সাথে সমগ্র পৃথিবীর জ-ঙ্গীবাদ নির্মূলের আগামী একশো বছরের উদাহরণ হয়ে থাকবে ইরান। আগামীর মুসলিম বিশ্বকে পথ দেখাবে আগামীর খোমেনি মুক্ত ইরান। ইরান হবে আগামীর পৃথিবীর জন্য নতুন এক ইতিহাস। ইরান জঙ্গীবাদ মুক্ত হলে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের জঙ্গীবাদ রাজনীতির অনেকটাই কবর রচিত হয়ে যাবে।ইরানের মোল্লাতন্ত্র থেকে মুক্তির উপর নির্ভর করছে আগামীর পৃথিবীর ৫৭ টি মুসলিম রাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক ভূ- রাজনীতির ভবিষ্যত।
সত্য সবসময় সুন্দর।
লুসিড ড্রিম






