একজন দক্ষ দল নেতা একাটি পরিবার একটি সমাজ ও রাষ্ট্রকে প্রভাবিত করে। তাঁর নৈতিক চরিত্র, আদর্শ, তাঁর প্রতিদিনের কাজ, মানুষের সাথে সু-ব্যাবহার বা সু-আচরণ তাঁর দক্ষ নেতুত্ব, সঠিক পথ চলা, তাঁর নির্দেশনা একটি সমাজকে ও জাতীকে মর্জাদার আসনের সর্বোচ্ছ চুড়ায় নিয়ে আসে। এই পৃথিবীর যতজন গুনি ও বিখ্যাত মানুষ সামাজকে বা জাতীকে মর্জাদা এনে দিয়েছেন তাদের প্রত্যেকের চারিত্রিক গুন বিবেচনা করে আপনি শেষ করতে পারবেন না।
দক্ষ দলনেতা যদি আপনি নির্বাচিত করেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই একজন মুসলমান হিসেবে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ মোস্তফা (সাঃ) এর কথা সর্ব আগে বলতেই হবে। আর এই কারণেই তাকে মক্কার বড় বড় ইহুদিরাও আল-আমিন নামে উপাধি দিয়েছেন। তিনি এমনই দক্ষ দলনেতা যে, তাঁকে আমেরিকার পর্লামেন্ট পর্যন্ত অনুসরন করেন। তাঁর দক্ষ নেতৃত্ব ১৪শত বা ১৪৫০শতক পর্যন্ত পৃথিবীর যত মানুষ আছেন ও পৃথিবীর যত মানুষ আসবেন উনার এই দক্ষ নেতৃত্ব সমাজ বলেন আর রাষ্ট্র বলেন সবখানেই তিনি বিদ্যমান থাকবেন। বিশেষ করে মুসলিম উম্মার ক্ষেত্রে। তিনি সামাজের অন্যায় অত্যাচার দুর করার জন্য তিনিই প্রথম সংগঠন সৃষ্টি করেন ‘‘হিল ফুল ফজল” নামে। তার দক্ষ নেতৃত্বেই আজ পৃথিবীর যত মুসলমান রয়েছেন সকলেই সংগঠিত আছেন এবং থাকবেন কেয়ামত পর্যন্ত।
এক জন মুসলমান যদি তাঁর মুসলমানিত্ব দাবি করতে হয় তাহলে তাঁর নৈতিক চরিত্র ও নৈতিকতা সঠিক রেখেই সামনে এগুতে হবে। পথভ্রষ্ট ও অনৈতিক মানুষ যদি সমাজে নেতুত্ব দান করেন তাহলে তিনি কখনওই মানুষকে ভাল কোন বার্তা দিতে পারেন না, তাঁর কাছ থেকে দেশ বা জাতী কোন কিছুই আশা করতে পারে না।
সাম্প্রতি আমাদের দেশে মানে আমাদের বাংলাদেশে যে নেতৃত্ব চলছে তা এক প্রকার বলতে পারেন মানুষের নীতি নৈতিকতা ছিনতাই হচ্ছে প্রতি ক্ষনে ক্ষনে, কারণ আমাদের নেতৃত্ব যারা দিচ্ছেন তারা তাদের নীতি ও নৈতিকতা দুটিই বিবর্জিত কাজের সাথে কোন না কোন ভাবে জড়িত। তাদের অতীত আখলাক ভাল নয়, কর্মকান্ড প্রশ্নবিদ্ধ। দুই একজন (হাতে গোনা) ছাড়া বাদবাকী যারা রয়েছেন তারা নিজেদের পকেট ভারী করে নিজেদের আখের গোছানোর জন্যই মনে হয় যেন এই পৃথিবীতে এসেছেন। সকল কিছুতে দায় সারা অবস্থা এর ওর উপর দোষ চাপানো ছাড়া আর কিছুই মনে হয় যেন তাদের কিছু করার নেই।
অতীতের বাংলাদেশের যে সরকার গুলো এসেছেন তাদের মধ্যে দেশ দেশের প্রতি মাতৃত্ব বোধ দেশের সামাজিক আর্থিক উন্নয়নের ব্যাবস্থা, অন্যান্য প্রতিবেশি দেশ গুলোর সাথে বন্ধুত্ব পূর্ণ সম্পর্ক সব কিছুতেই একটি সামঞ্জস্ব পূর্ন সম্পর্ক বজায় ছিল, সাবার প্রতি একটি সহযোগিতা ও সহ-মর্মিতা ছিল। কিন্তু বিগত ২০২৪ সালের পর থেকে আমরা যা দেখছি তা আমাদেরকে আশাহত করেছে। আমরা বিনা কারণে মানুষ পিটিয়ে হত্যা করছি, অকারণে মানুষের ঘর বাড়ি জ¦ালিয়ে দিচ্ছি, আর মানুষের প্রতি মানুষ মব সৃষ্টি করছি। এটিতো কোন সমাধান হতে পারে না। বর্তমান আরাকান রাজ্যই এর বড় উদাহরণ, যাদের দক্ষ দলনেতা না থাকায় তাদের আজ একটু আশ্রয় খোঁজার আপ্রান চেষ্টা ব্যহত হচ্ছে।
একজন দক্ষ দলনেতা বা শাসক যাই বলেন আপনি সমস্যা নির্ধারণ করবেন, সেই সমস্যা সমাধান করবেন। সকলকে নিয়ে আপনি নিজেকে ও দেশের জনগণকে সমস্যা থেকে উত্তোরণ করবেন। পাহাড় পরিমান সমস্যা ডিঙ্গিয়ে সামনে এগিয়ে যাবেন, সকলের প্রতি দায়িত্ব বন্টন করে তার হিসাব নিবেন। কিন্তু জাতি বা সমাজ অদক্ষ দলনেতার কাছ থেকে তা পায় না। হত্যা, লুট, দেশকে বিভক্ত, দেশ বিক্রয়, দেশের মানুষকে হরণ, যাহা অতীতে মানুষ যা দেখেনি তাহাও অদক্ষ দল নেতা করে দেখিয়ে দিয়েছেণ যাহা মানুষ গ্রহন করছে না। অদক্ষ দল নেতা যদি সে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ পুরস্কারও পায় তার অদক্ষ নেতৃত্ব দেশ জাতি সমাজকে কিছুই দিতে পারে না। ইনসাফ ও ন্যায় নীতি প্রতিষ্ঠা বর্তমানে আমাদের এই বাংলাদেশে নেই, ২০২৪ সালে যাহা আমাদের বাংলাদেশ থেকে হারিয়েছে। ১৯৭১ সালে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধকে কলুষিত করে বা অস্বীকার করে আমরা সামনে এগিয়ে যেতে পারি না।
আমাদের জন্ম যদি আমরাই অস্বীকার করি তাহলে আমাদের নৈতিক চরিত্রের অবক্ষয় ছাড়া আর কিছুই হতে পারে না। যারা আজ বাংলাদেশকে বিকৃত ভাবে উপস্থাপন করছে তারও সময়ের পরিবর্তনে বিকৃত ভাবেই হারিয়ে যাবে। তাই দক্ষ একজন লিডার অদক্ষ একশত পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ পুরষ্কার থেকেও উত্তম।
নোটঃ (উক্ত লিখনি লিখকের সু-চিন্তিত মতামত অন্যের সাথে সসমঞ্জস্য হলে লিখক দায়ী নয়)।
অপ্রতিমের হত্যার বিচার দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
কুমিল্লা: অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থীরা। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কুমিল্লার...








