গোপাল চন্দ্র রায়, ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ নীলফামারীর ডোমার সাবরেজিস্টার সিরাজুল ইসলাম একাই ৫টি সাব রেজিস্ট্রি অফিসে দায়িত্ব পালন করছেন। ডোমার সাবরেজিস্টার অফিসের দায়িত্বে থাকলেও আরও ৪টি সাব রেজিস্ট্রি অফিসে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। সাব রেজিস্টার সিরাজুল ইসলাম সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস রোববার তিনি মীরগঞ্জ সাব রেজিস্ট্রি অফিসে সোমবার জলঢাকা সাব রেজিস্ট্রি অফিসে, মঙ্গলবার ও বুধবার হাতিবান্ধা সাব রেজিস্ট্রি অফিসে এবং বৃহস্পতিবার অর্ধেক দিবস চিলাহাটি অর্ধেক দিবস ডোমার সাব রেজিস্ট্রি অফিসে দায়িত্ব পালন করছেন। পর্যাপ্ত সময় না পাওয়ায় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে জমি ক্রেতা বিক্রেতাদের। চিলাহাটি ও জলঢাকা সাব রেজিস্ট্রি অফিসের সাব রেজিস্ট্রারগন ২মাস মেয়াদের একটি ট্রেনিংয়ে রয়েছেন। ফলে সাব রেজিস্ট্রার সংকট দেখা দিয়েছে। জমি রেজিস্ট্রি করার মতো পর্যাপ্ত সময় না পাওয়ায় জমি কেনা বেচা করার পরও সময় মতো রেজিস্ট্রি হচ্ছে না। ফলে কমেছে রাজস্ব বেড়েছে ভোগান্তি। ভোগডাবুড়ী ইউনিয়নের বাদশা মিয়া জমি কিনেছেন একই এলাকার রঞ্জু ইসলামের কাছে। অর্ধেক দিন অফিস থাকায় চিলাহাটি সাব রেজিস্ট্রি অফিসে জমি রেজিস্ট্রি করতে পারেননি। অবশেষে ২০কিলোমিটার পেরিয়ে ডোমার সাব রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল রেজিস্ট্রি সম্পাদন করেন। তিনি জানান, ১০/১২ জন লোকজন নিয়ে এতদুরে এসে জমি রেজিস্ট্রি করতে অতিরিক্ত টাকা খরচ হচ্ছে। দলিল লেখক হবিবর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার অর্ধেক দিন অফিস তাই সাব রেজিস্ট্রার দুপুর ২টার মধ্যেই চলে যান। আমার মক্কেল হজ্জে যাওয়ার জন্য জমি বিক্রি করেছেন। দলিল রেজিস্ট্রি সম্পাদন না হলে জমি গ্রহিতা টাকা দেবেন না। তাই বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত টাকা খরচ করে ডোমার এসে কমিশনের মাধ্যমে দলিল সম্পাদন করি। জমি কেনা বেচার দলিল সম্পাদন করতে দাতা এবং গ্রহীতারা এমনিতেই দেরি করে অফিসে আসেন। এরপর ব্যাংক ড্রাফটসহ অন্যান্য কাগজপত্র সংযোজন, দলিল লিখনী করতে একটু সময় লাগে। এরই মধ্যে অর্ধেক দিবস অফিসের সময় শেষ হলে সাব রেজিস্ট্রার চলে যান।
সাব রেজিস্ট্রার সিরাজুল ইসলাম জানান, চিলাহাটি এবং জলঢাকা উপজেলার দুজন সাব রেজিস্ট্রার লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে দুই মাসের প্রশিক্ষণে রয়েছেন। তাই অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে।







