একেবারে ধইন্যা মরিচ। প্রায় কিশোরী মেয়েটি শর্টকাট পথে ধনী হতে চাইছে। দাদার বয়সী একজনের সাথে লীলাখেলা। ভিডিও গুলো অনেকবার দেখলাম। মেয়েটি যেভাবে পায়ের উপর পা উঠিয়ে বসেছে কিছুতেই বন্ধ ঘরে প্রথম নয়। তারমানে আগেও অনেকবার।একটি কথা স্পষ্ট কিছুতেই মতের অমতে জোর করে কিছু নয়। সিভি পাওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে তবে কি চাকরীর উদ্দেশ্যে লেনদেন?
দুজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ একান্তে কিছুটা সময় কাটাতেই পারে। কিন্তু তাই বলে ড্রাইভারের ধরিয়ে দিতে হবে কেন ? পূর্ব পরিকল্পিত কিছু কি ? প্রথমে যদি স্বীকার করে নিতেন স্ত্রি তবেই তো কেল্লা ফতে। মাহির স্বল্প বয়সী পিতা যেভাবে বলছে এমপি মহোদয় তার জামাতা আর কি লাগে। তার স্ট্যাটাস তাৎক্ষনিক ভাবে আপগ্রেড।এখন এমপি সাহেব তার বয়স্ক স্ত্রি পরিবার এলাকার মানুষ আর জামায়াতে ইসলামীর আমীর বুঝুক।
তবে আপনারা বয়স্করাই যদি সব কচি মেয়েদের ঝুটা করে দেন তবে তরুনারা করবে কি ? প্রথম স্ত্রীর অসহায় রিডিং পড়া দেখে কান্না এসেছে। একেতো এই বয়সে স্বামীর লুচ্চামি মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে উপরন্তু তার পক্ষে সাফাই গাইতে হচ্ছে। আহারে বেচারা।
সাতক্ষিরার কাজী সাহেব বলছেন যদিও বিয়ে ১৭ই জুন ২৬ এ হয়েছে কিন্তু ফোনে ফোনে সোম/ মঙ্গলবার রেজিস্ট্রি হয়েছে। ফোনে রেজিস্ট্রি এই প্রথম শুনলাম। কাবিন বা দেনমোহর কত কোন সাংবাদিককে প্রশ্ন করতে শুনলাম না। তবে জানতে পেলাম মাত্র ৩ লক্ষ টাকা। এতো অল্প বয়সী সুন্দর একটি মেয়ের দেনমোহর এতো কম হয় কি করে? বিশেষ করে পাত্র যেহেতু ৭৫ বছরের বৃদ্ধ তিন কোটি হলে তবুও খানিকটা মেনে নেওয়া যেত।
পকেট থেকে মগবাজার এলাকার লোকজন টাকা বের করে নিচ্ছে দেখলাম। আশ্চর্য হয়ে লক্ষ্য করলাম তিনি টুঁ শব্দটি না করে সব দিয়ে দিচ্ছেন।
আরেকটি প্রশ্ন এসব কামরায় কি সবসময় এমন ক্যামেরা ফিট করা থাকে ? পরের বার কেউ গেলে অবশ্যই আগে চেক করে নিবেন।
তবে এই ধইন্না মরিচ মেয়েটি এবং তার পরিবার কিন্তু সহসাই ছাড়বে না দেখে নিয়েন। কারণ মেয়েটি ৫০১ এর ঝর্ণার মত নিশ্চুপ নয়। বরং তেজি, উপস্থিত লোকদের বেশ কয়েকবার ঝারি দিয়েছে মোবাইলে ঝাপটা দিয়ে বন্ধ করার চেষ্টা করেছে।ক্ষণিকের ফুর্তি করতে যেয়ে এমপি সাহেব কিন্তু পরেছেন গ্যাঁড়া কলে।
আমি এতদিন ভেবেছি নেকাবে মুখ ঢাকার প্রয়োজনীয়তা কি ? কিন্তু এখন বুঝলাম সুবিধা অনেক।









