এম এ হোসেন, রংপুর: রংপুর সিটি কর্পোরেশন, ২০৫.৭০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এলাকা ও ৩৩টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সিটি কর্পোরেশন। সিটি কর্পোরেশন এর বেশ একটা বড় অংশ নিয়েই গঠিত উত্তম মৌজা। এখানেই গড়ে উঠেছে দেশের প্রথম অত্যাধুনিক বিভাগীয় সদর দপ্তর কমপ্লেক্সসহ নানা সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। অথচ এই অত্যাধুনিক রংপুর বিভাগীয় সদর দপ্তর কমপ্লেক্স এর কোল ঘেষে সিটি কর্পোরেশন এর ৩নং ওয়ার্ডের উত্তম বেতার পাড়ার একটি অংশে রংপুর পৌরসভা থেকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত হওয়ার এক দশকে এসেও লাগেনি উন্নয়নের ছোঁয়া, তৈরি হয়নি রাস্তা ও পরিকল্পিত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা। এমনকি বিভাগীয় সদর দপ্তর কমপ্লেক্স এর সামনের অংশেও হয়নি কোন সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ। এখানকার সচেতন নাগরিকরা বলছেন, সিটি কর্পোরেশনের নজরদারির অভাবেই অবহেলার শিকার এখানকার সাধারণ মানুষ। গত ৯ বছরেও উত্তম বেতার পাড়ার এ গ্রামের মানুষ রংপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মহোদয়কে দেখেননি ৯ বারও। সরেজমিনে দেখা যায়, উত্তম বানিয়াপাড়া ও বেতার পাড়ার অন্য রাস্তাগুলো পাকা হলেও পাকা হয়নি এ গ্রামের রাস্তাটি, এখানে নেই পরিকল্পিত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা। ফলে বৃষ্টি হলেই ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে এখানকার সাধারণ মানুষদের। পরিকল্পিত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার অভাবে বৃষ্টি হলে সামনের খালে ভেসে আসে ময়লা ও আবর্জনাযুক্ত পানি এর প্রভাব পড়ছে জনস্বাস্থ্যেও। এছাড়াও এ গ্রামের প্রবেশপথে মহাসড়কের সাথে রাস্তার বেহাল দশার কারণে প্রায়ই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। সাধারণ মানুষের একটাই প্রশ্ন, কে দেখবে এসব? এমন প্রশ্ন নিয়ে রংপুর সিটি কর্পোরেশন এর মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফাকে ফোন দিলেও ব্যস্ততার কারণে পাওয়া যায়নি তাকে। তবে সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগে কথা হলে বিষয়টি দেখার আশ্বাস প্রদান করেন।








