চলতি ১৪৪৭ হিজরি সনের সাদাকাতুল ফিতরের হার জনপ্রতি সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮ শ ৫ টাকা এবং সর্বনিম্ন ১১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার ২৫ ফেব্রুয়ারি সকালে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক।
সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, ইসলামী শরীয়াহ মতে আটা,যব,কিসমিস,খেজুর ও পনির ইত্যাদি গণ্যগুলোর যে কোনো একটি দ্বারা ফিতরা আদায় করা যায়। গম বা আটা দ্বারা ফিতরা আদায় করলে অর্ধ সা’ বা ১ কেজি ৬শ’ ৫০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ১১০ (একশ দশ) টাকা প্রদান করতে হবে। যব দ্বারা আদায় করলে এক সা’ বা ৩ কেজি ৩শ’ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ৫৯৫ (পাঁচশত পঁচানব্বই) টাকা, খেজুর দ্বারা আদায় করলে এক সা’ বা ৩ কেজি ৩ শ’ গ্রাম বা এর বাজার মূলা ২,৪৭৫ (দুই হাজার চারশত পঁচাত্তর) টাকা, কিসমিস দ্বারা আদায় করলে এক সা’বা ৩ কেজি ৩শ’ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ২,৬৪০ (দু হাজার ছয়শত চল্লিশ) টাকা ও পনির দ্বারা আদায় করলে এক সা’ বা ৩ কেজি ৩ শ’ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ২৮০৫ (দু’ হাজার আটশত পাঁচ) টাকা ফিতরা প্রদান করতে হবে।
দেশের সব বিভাগ থেকে সংগৃহীত আটা,যব,খেজুর, কিসমিস ও পনিরের বাজার মূল্যের ভিত্তিতে এ ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে। মুসলমানগণ নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী এসব পণ্যের যে কোনো একটি পণ্য বা এর বাজার মূল্য দ্বারা সাদাকাতুল ফিতর আদায় করতে পারবেন।
উল্লেখ্য,দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এ পণ্যগুলোর স্থানীয় খুচরা বাজার মূল্যের তারতম্য রয়েছে। তদানুযায়ী স্থানীয় মূল্যে পরিশোধ করলেও ফিতরা আদায় হবে।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বোর্ড অব গভর্নরস সদস্য মাও.মাহফুজুল হক, দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক ড.মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতি মাও.মোহাম্মদ আবদুল্লাহ,মুহাদ্দিস ড.ওয়ালিয়ুর রহমান খান, মুফাসসির ড.মাও.মো.আবু সালেহ পাটোয়ারী,কাদেরিয়া তৈয়্যেবিয়া কামিল মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাও.আবুল কাশেম মো.ফজলুল হক,বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মাও.মুহাম্মদ মিজানুর রহমান,পেশ ইমাম মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী ও রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ জামে মসজিদের খতিব মাও.মহিউদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।








