চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, সব সংকীর্ণতা পরিহার করতে হবে। আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করি। আমাদের ঐক্যবদ্ধ শক্তিই পথ দেখাবে। এজন্য দলীয় ঐক্য শক্তিশালী করতে হবে।
তিনি বলেন, দৃঢ় প্রত্যয়ে বলীয়ান হয়ে তৃণমূল থেকেই দলীয় আদর্শে বিশ্বাসীদের নিয়ে দলকে সংগঠিত করতে হবে। এটাই হবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার প্রতিষ্ঠায় আমাদের অঙ্গীকার।
বৃহস্পতিবার জেলহত্যা দিবস পালন উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত থিয়েটার ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন আ জ ম নাছির।
আ জ ম নাছির বলেন, জাতীয় চার নেতা বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তাদের যথার্থভাবে স্মরণ করার মাধ্যমে আমাদের অস্তিত্বের শিকড় খুঁজে পাবো।
তিনি আরো বলেন, আমরা ব্যর্থ হয়েছি। বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার ভূমিকা, মূল্যায়ন এবং অবদানকে মানুষের ঘরে ঘরে যদি পৌঁছে দিতে পারতাম, তাহলে জিয়াউর রহমানের মতো একজন কুখ্যাত স্বাধীনতাবিরোধীকে সামনে রেখে বিএনপি ও জামায়াত যেভাবে স্বাধীনতাবিরোধী অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে তা প্রতিহত করতে পারতাম।
সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দীন চৌধুরী বলেন, ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ড, ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস ও ২১ আগস্ট শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা একই সূত্রে গাথা। খুনিরা এখনো সক্রিয়। তাদের নিমূর্ল করতে পারিনি বলেই আমরা এখনো নিরাপদ নই। এদের নির্মূল করতে পারলেই আমাদের স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব, শান্তি ও সাম্য নিশ্চিত হবে।
চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুকের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন- চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নঈম উদ্দিন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, খোরশেদ আলম সুজন, আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিক আদনান, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী প্রমুখ।
সভার শুরুতে জাতীয় চার নেতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।






