নিজস্ব সংবাদদাতা:
কলাগাছিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি পদে আসীন হতে পারছেন না সম্ভাব্য
প্রার্থী আহমেদ তুষার মাইনুদ্দিন। কোন ছাত্রলীগ নেতা সরাসরি মূল দলের
ভাইটাল পদে যাওয়ার বিধান আওয়ামীলীগের গঠনতন্ত্রে নেই বলে জানিয়েছেন দলের
একজন কেন্দ্রীয় ও বিজ্ঞ এক নেতা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বর্ষীয়ান ওই
রাজনীতিবিদ আরো জানান,আজকাল টাকার বিনিময়ে অনেকেই আওয়ামীলীগের পদ কেনার
চেষ্টা করেন কিন্তু দল সেটাকে সমর্থন করেন না যে কারণে গঠণতন্ত্রটি
সেভাবেই তৈরি করা হয়েছে। পদতো দূরের কথা ছাত্রলীগ নেতা আগে মূল দলের
কাউন্সিলর হতে হলেও তাকে যুবলীগেও এক্টিভিটিজ দেখাতে হবে। তারপর তাকে মূল
দলের কাউন্সিলর করা যাবে কি না সেটা বিবেচনা করবে স্থানীয় উপজেলা কমিটি।
পরবর্তীতে সেটি ঝেলা কমটি হয়ে কেন্দ্রীয় কমিটিতে প্রস্তাব আকারে জমা হবে।
এদিকে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগে ছাত্রলীগ নেতাকে পদ দেয়া হয়েছে এমন প্রশ্নের
জবাবে বিজ্ঞ ওই নেতা আরো বলেন,কেন্দ্রের সঙ্গে ইউনিয়ন কমিটির তুলনা করা
বেমানান। কেন্দ্রের দায়িত্বে যারা থাকেন তারা হচ্ছেন দলের নীতি নির্ধারক।
নীতি নির্ধারকরা দলের স্বার্থে নতুনদের সুযোগ দেয়ার এখতিয়ার রাখেন তবে
সেটা দলের চেয়ারম্যানের অনুমোদন সাপেক্ষে। তবে দলের স্বার্থে ছাত্রলীগ
থেকে মূল দলে পদ দেয়ার ব্যাপারটি যদিও বিশেষ বিবেচনায় রাখা হয়েছে কিন্তু
তাও ভাইটাল কোন পদে রাখার বিধান বাংলাদেশ আওয়ামীলীগে নেই। কেন্দ্রীয়
আওয়ামীলীগের নীতি অনুস্মরণ করেই দেশের প্রতিটি জেলা,উপজেলা বা থানা এবং
ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড কমিটিগুলো করতে হবে। তবে ছাত্রলীগের কোন নেতাকে যদি
টাকার বিনিময়ে আওয়ামীলীগের মূল দলের ভাইটাল পদে আনা হয় তৃনমূল থেকে এ
ধরণের কোন অভিযোগ পাওয়া গেলে সেক্ষেত্রে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা
হবে। সুতরাং দীর্ঘ দিন প্রবাসে থাকা কথিত ছাত্রলীগ নেতা আহম্মেদ
মাইনুদ্দিন তুষারের কলাগাছিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি পদে আসীন হওয়ার
বিন্দুমাত্র সম্ভাবনা নেই। অবশ্য বিশেষ বিবেচনায় দলের স্বার্থে এ জাতীয়
কোন ব্যক্তিকে সহযোগী পদ দেয়া যেতে পারে তবে কেন্দ্রে অবহিতকরণ পত্র
প্রেরণের পর অনুমোদন হওয়ার পর।
রাষ্ট্রীয় সম্মানে বিদায় নিলেন রণাঙ্গনের বীর আবু সাঈদ মিয়া
আনোয়ারুল ইসলাম জামিল, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরের মধুখালী পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের পূর্ব গাড়াখোলা গ্রাম নিবাসী বীরমুক্তিযোদ্ধা আবু সাঈদ মিয়া (৮৯)...








