নাজমুল হক নাহদি, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতনিধি:ি উত্তর জনপদরে
শষ্য ভান্ডার খ্যাত নওগাঁর আত্রাই উপজলোর বশেরি ভাগ মানুষ কৃষি
পশোর ওপর নর্ভিরশীল। এক সময় ফসলে পানি সচেরে আদি যন্ত্র
ছলি জাঁত। যা কালরে বর্বিতনে র্বতমান প্রজন্মরে কাছে
‘জাত’ শব্দটি শুধু অতীতরে গল্প হয়ে রয়ছে।ে
আদকিালে পানি সচেরে অন্যতম মাধ্যম ‘জাঁত’ এর অঞ্চল ভদেে
বভিন্নি নাম থাকলওে উত্তরাঞ্চলরে কৃষকরা একে জাঁত বলইে
চনেনে। এক সময় এই জাঁতরে ব্যবহার ছলি গ্রাম-বাংলার প্রায়
প্রতটিি কৃষকরে ঘরে ঘর।ে এখন জাঁত চলে গছেে জাদুঘর।ে
কৃষক হয়ে পড়ছেে যন্ত্রনর্ভির।
আত্রাই উপজলোর বভিন্নি গ্রামরে প্রায় মাঝখান দয়িে একে
বকেে বয়ে চলছেে নদী-নালা ও ডোবা থকেে জাঁতরে মাধ্যমে
পানি সচেে কৃষক জমতিে ফসল ফলাতো।
উপজলোর বভিন্নি প্রবীণ লোকজনরে সাথে কথা বলে জানা
যায়, আগকোর দনিে ফসলি জমতিে পানি সচেরে জন্য টনি বা
বাঁশরে তরৈি সঁেউতি ও কাঠরে দোন ব্যবহার করা হতো। নদী,
খালবলি বা জলাশয় থকেে টনি বা বাঁশরে চাটাই দয়িে তরৈি
সঁেউতি দয়িে পানি সরবরাহ করা হতো। আর উঁচু-নচিু
জমতিে পানি সচে দতিে ‘জাঁত’ ছলি অতুলনীয়। গ্রাম-
বাংলার কৃষকরে আদি চন্তিা-চতেনার ফল ছলি এ কাঠরে জাঁত
আবষ্কিার।
আম অথবা কাঁঠালজাতীয় গাছরে মাঝরে অংশরে কাঠ কটেে
নয়িে তার মাঝখানে খোদাই করে ড্রনে তরৈি করে পানি সচে
দওেয়ার ব্যবস্থা করা হতো। কোনো কোনো স্থানে নারকিলে, তাল,
জগিা, সুপারি ও পাইন গাছ দয়িওে এ জাঁত তরৈি করা হতো।
তবে র্বতমানে কাঠরে তক্তা দয়িওে এ দোন তরৈি করা হয়। এতে
পানি সচে দতিে শ্রমকি ছাড়া অন্য কোনো খরচ হয় না।
উপজলোর তারাটয়িা ছোটডাঙ্গা গ্রামরে কৃষক আব্দুস
ছামাদ বলনে, ক্রস আকারে দুটি বাঁশরে শক্ত খুঁটি মাটতিে
পুঁতে তার সঙ্গে লম্বা অন্য একটি বাঁশ বঁেধে দওেয়া হয়। এক
অংশে জাঁতরে মাথা অন্য অংশে মাটরি ভরা (ওজন) তুলে দয়িে
পানতিে চুবয়িে তুললে একসঙ্গে অনকে পানি উঠে আস।ে
এভাবে অনবরত পানি সচে দলিে দ্রুত সচেরে কাজ হয়ে যায়।
আধুনকি শ্যালো, ডপি, এলএলপি প্রভৃতি সচেযন্ত্র আসায়
জাঁতরে ব্যবহার এখন আর নইে।
উপজলো বজ্রপুর গ্রামরে কৃষক মজদি মন্ডল বলনে, নদী-নালা ও
বলিে একসময় সারা বছর পানি থাকত। এসব নদী-নালা ও বলি
থকেে জাঁতরে সাহায্যে ফসলরে ক্ষতেে পানি দওেয়া হতো। এখন
নদী হয়ে গছেে ফসলরে ক্ষতে। ব্যবহার হচ্ছে আধুনকি যন্ত্রপাতরি।
এ বষিয়ে আত্রাই উপজলো কৃষি র্কমর্কতা কৃষবিদি কএেম
কাউছার হোসনে জানান, বাংলার কৃষরি আদি ঐতহ্যি অনকে
কৃষক এখনও শখরে বসে কছিু যন্ত্র ধরে রখেছেনে। আমাদরে
নতুন প্রজন্মরে কাছে এসব আদি যন্ত্র একটি শক্ষিনীয় বষিয়।
শখরে বসে এসব আদি যন্ত্ররে ব্যবহার কৃষতিে কৃষকরে
আগ্রহ ও ভালবাসার বহ:িপ্রকাশ। শুধু এসব আদি যন্ত্রপাতি নয়
কৃষক এখন বষিমুক্ত বভিন্নি ফসল উৎপাদন করতে বভিন্নি
দশেীয় প্রযুক্তরি ব্যবহার করছ।ে যা মানব স্বাস্থ্য, প্রকৃতি ও
পরবিশেরে জন্য অপরহর্িায। #








