কুখ্যাত রাজাকারের উত্তরসূরী, দৃক গ্যালারির প্রতিষ্ঠাতা ও ফটোগ্রাফার শহীদুল আলম নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের সময় (২০১৮) আল জাজিরা টেলিভিশনে সাক্ষাৎকার দিয়ে বিভ্রান্তকর ও মিথ্যাচারের মাধ্যমে গুজব সৃষ্টি করেছিল। তখন সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ঝুলাই (৫ই অগাষ্ট ২০২৪) Meticulous ষড়যন্ত্রের মধ্যে যে কয়জন লোক ছিল তার মধ্যে এই শহীদুল ছিল অন্যতম। কেন এই শহীদুল বার বার শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের মাধ্যমে বিভ্রান্তি, গুজব সৃষ্টি ও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকতো ? কে এই শহীদুল আলম ?
অনুসন্ধানঃ এই শহিদুল আলম তাঁর মেধার ব্যবহার করেছে যুদ্ধাপরাধী, রাজাকার, মানবতা বিরোধীদের পক্ষ অবলম্বন করে পরিকল্পিত ভাবে মিথ্যাচার করে, গুজব ছড়িয়ে একের পর এক- বাংলাদেশ, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও যুদ্ধাপরাধীর বিচার কাজের বিরুদ্ধে জনমত তৈরি করতে।
কুখ্যাত রাজাকার, মানবতাবিরোধী অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে যখন শাহবাগের আন্দোলন তুঙ্গে, তখন এই ফটোগ্রাফার শহিদুল আলম আন্দোলনকারী বিভিন্ন জনকে নাস্তিক বলে ট্যাগ দেওয়া শুরু করে। তাছাড়া ডেভিড বার্গম্যানের সাথে মিলে যুদ্ধাপরাধী বিচার বানচাল ও বিতর্কিত করতে দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে মিথ্যাচারের চক্রান্তে ছিলো লিপ্ত।
২০১৪ সালে তথাকথিত ব্রিটিশ সাংবাদিক ও যুদ্ধাপরাধী বিচারের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার কাজে নিয়োজিত ডেভিড বার্গম্যান আদালত অবমাননার দায়ে সাজা হলে, তখন যে ৫০ জন জামাতপন্থী বুদ্ধিজীবী তাঁর সাজার বিরুদ্ধে বিবৃতি দিয়েছিলো শহিদুল আলমের স্ত্রী রেহনুমা আহমেদ (কুখ্যাত রাজাকার সবুর খানের ভাগ্নি) ছিলেন তাঁদের একজন।
শহীদুল আলমের পরিচয়ঃ কুখ্যাত রাজাকার সবুর খানের বোন, অগ্রণী বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আনোয়ারা মনসুর হলেন শহিদুল আলমের মা। যার সরকারী বাসভবন এলিফ্যান্ট রোডের ‘নাশেমন’ এ পাক আর্মি খালেদ মোশাররফের দুই মেয়েকে ধরে নিয়ে হেফাজতে রেখেছিল। এপ্রিলে মেয়ে দুটিকে পুনরায় পাক বাহিনীর হাতে তুলে দেবার আগেই বীর গেরিলা বাহিনীর বদি, কাজী, স্বপ্ন ও চুল্লু আনোয়ারা মনসুরের মাথায় স্টেনগান দিয়ে আঘাত করে এবং পাক বাহিনীকে ফোন করতে উদ্যোত হওয়া খালার পায়ে গুলি করে বাচ্চা মেয়ে একটিকে নিয়ে পালিয়ে আসতে সমর্থ হয়।
মা-খালার রক্তের বদলা, বংশগত রাজাকারী ঐতিহ্য ধরে রাখতে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে রাজাকারের উত্তরসূরী এই শহিদুল আলম।








