অনেক নারী বা পুরুষেরই কোমরের কাছে দু’পাশে দুটি ছোট ছোট টোল খাওয়ার মতো গর্ত থাকে। অনেকেই বলেন, এটি সুস্বাস্থ্যের লক্ষণ। কারও কারও মতে, এটির সঙ্গে সম্পর্ক আছে যৌনতারও। যাদের এই টোল থাকে তাদের যৌনশক্তি বেশি থাকে বলে মনে করেন অনেকে।
এগুলোকে ইংরেজিতে বলা হয় ‘ব্যাক ডিম্পলস’ বা ‘ডিম্পল অব ভেনাস’। এটি তৈরি হয় এমন একটি জায়গায় যেখানে পেলভিস এবং মেরুদণ্ডের সংযোগস্থলটি রয়েছে। নিতম্বের ঠিক উপরেই থাকে এই দুটি। কেন তৈরি হয় এই টোল? বিজ্ঞান কী বলছে?

এ নিয়ে ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ইলিয়াক হাড়ের বিশেষ গড়নের কারণেই এই ধরনের টোল তৈরি হয়; এমনই বলছে বিজ্ঞান। অনেকেই মনে করেন, এটি যাদের থাকে, তাদের দেখতে সুন্দর লাগে। রোমানদের সৌন্দর্যের দেবী ছিলেন ভেনাস। তার নাম থেকেই তৈরি হয়েছে এই ‘ডিম্পল অব ভেনাস’ নামটি।

কিন্তু এটি থাকার অর্থ কী? অনেকেই মনে করেন, এটির মানে, শরীরে অতিরিক্ত মেদ নেই। শরীর খুব ফিট। কিন্তু বিজ্ঞান বলছে, এমন ভাবার কারণ নেই। কারণ এমন অনেকেই আছেন, যাদের শরীরের নানা জায়গায় মেদ জমলেও এই ‘ডিম্পল অব ভেনাস’ বাদ থেকে যায়।
আরও একটি ধারণা হচ্ছে, যাদের এই ‘ডিম্পল অব ভেনাস’ থাকে, তাদের যৌনশক্তি তীব্র হয়। নারীদের ক্ষেত্রে অনেকেই মনে করেন, এই ‘ডিম্পল অব ভেনাস’ থাকার মানে, অর্গাজম তাড়াতাড়ি এবং বেশি তৃপ্তিদায়ক হয়। কিন্তু কী বলছে বিজ্ঞান?
বিজ্ঞান বলছে, এই ‘ডিম্পল অব ভেনাস’-এর সঙ্গে নারী বা পুরুষের অর্গাজমেরও কোনো সম্পর্ক নেই। এটি একেবারে শারীরিক একটি বৈশিষ্ট্য। যাদের থাকে, তারা আলাদা করে কোনো সুবিধা পান না, অসুবিধাতেও পড়তে হয় না।

এবার শেষ কথা। যাদের এটি নেই তারা কি জিমে গিয়ে শরীরচর্চা করে এটি পেতে পারেন? অনেকেই প্রচণ্ড পরিমাণে শরীরচর্চা করেন এই ‘ডিম্পল অব ভেনাস’ পাওয়ার জন্য। কিন্তু সেটি কি সম্ভব?

বিজ্ঞান বলছে, কেউ কেই এই শারীরিক বৈশিষ্ট্যটি নিয়েই জন্মান। তারা যদি জিমে গিয়ে বিরাট পরিশ্রম করেন, তাহলে এই টোল দুটি আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। আর যাদের এটি থাকে না, তারা প্রচুর পরিশ্রম করলেও পাওয়ার সম্ভাবনা কমই।








