খোকসায় ভুয়া সাংবাদিক ও ‘নিউজ চোরচক্রের’ নামে চাঁদাবাজি, সাধারণ মানুষের ক্ষোভ খোকসায় ১০টি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি, এলাকাজুড়ে চোর আতঙ্ক প্রশাসন নিরব
কুষ্টিয়া খোকসা থেকে কে,এম,তোফাজ্জল হোসেন জুয়েল সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার :- কুষ্টিয়ার খোকসায় সম্প্রতি ভুয়া সাংবাদিক ও কথিত “নিউজ চোরচক্রের” দৌরাত্ম্য নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সাংবাদিকতার নাম ব্যবহার করে একশ্রেণির অসাধু ব্যক্তি ব্যবসায়ী, যানবাহন চালক ও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খোকসা বাসস্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন এলাকায় এসব চক্র দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রয়েছে। কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ, ভিডিও ধারণ কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের ভয় দেখানো হয়। এতে সাধারণ মানুষ আতঙ্কের মধ্যে দিন পার করছেন।
সম্প্রতি কয়েকটি ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। স্থানীয় জনতা কয়েক জায়গায় কথিত সাংবাদিক পরিচয়দানকারী কয়েকজনকে হাতেনাতে আটক করে বিক্ষোভও করেছে বলে জানা গেছে। সচেতন মহল বলছে, প্রকৃত সাংবাদিকদের সম্মান নষ্ট করতেই এসব ভুয়া চক্র সাংবাদিকতার আড়ালে অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে।
এলাকাবাসীর দাবি, প্রকৃত সাংবাদিকরা সমাজের দুর্নীতি তুলে ধরেন, কিন্তু কিছু অসাধু ব্যক্তি সেই পরিচয় ব্যবহার করে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল করছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন প্রকৃত ও ভুয়া সাংবাদিকের পার্থক্য নিয়েও বিভ্রান্তিতে পড়ছেন।স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, অনেক সময় দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে বিজ্ঞাপন, সহযোগিতা কিংবা নিউজ করার নামে টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অপপ্রচার বা হয়রানির ভয় দেখানো হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।এ বিষয়ে সচেতন নাগরিকরা প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা বলেন, সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে কেউ যাতে চাঁদাবাজি করতে না পারে, সে জন্য পরিচয়পত্র যাচাই ও নিয়মিত নজরদারি প্রয়োজন।খোকসা থানা পুলিশ জানিয়েছে, কেউ চাঁদাবাজি বা প্রতারণার শিকার হলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে হবে। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।সাধারণ মানুষ মনে করছেন, প্রশাসন, প্রকৃত সাংবাদিক সমাজ ও সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিত উদ্যোগেই এ ধরনের ভুয়া সাংবাদিক ও চাঁদাবাজ চক্রের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলায় দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি, এলাকাজুড়ে চোর আতঙ্ক কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলায় এক রাতেই ১০টি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনায় ব্যবসায়ীদের মাঝে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক চুরি বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। কমলাপুর মিয়াপাড়ার নাম জানাতে অনিছুক এক ব্যক্তি জানান সবাই বেড়াতে গিয়েছে বাড়ির লোক আমি একা বাড়িতে সেই ফাঁকে আমার বাড়ির কোন ফাঁক ফোকোর অথবা টিন খুলে কয়একজন হাতে টর্চ জালি বাড়ি ঘর তচ নচ করে আমি ভয়ে এক ঘরে পালিয়ে থাকি সকাল হলে ঘর থেকে বের হই আমার নগদ টাকা কিছু একটা প্রয়োজনীয় কাগজ ও অলংকার খোয়া যায় স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে সংঘবদ্ধ চোরচক্র দোকানের শাটার ভেঙে নগদ টাকা, মালামাল ও মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে পালিয়ে যায়। সকালে দোকান খুলতে এসে ব্যবসায়ীরা চুরির ঘটনা দেখতে পেয়ে হতবাক হয়ে পড়েন। পরে খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ভিড় জমায়।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে খোকসা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চুরির ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে। রাত হলেই চোর আতঙ্কে ঘুমাতে পারছেন না তারা। অনেক ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, বারবার চুরির ঘটনা ঘটলেও এখনো কার্যকরভাবে চোরচক্র শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, চোর কে কোথায় যায় বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে খোঁজ খবর রাখে পরে টার্গেট অনুযায়ী সেখানে বা সেই বাসায় চুরি করছে সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সক্রিয় রয়েছে। রাতের অন্ধকারে তারা দোকান, বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে টার্গেট করে চুরি চালাচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।ঘটনার পর এলাকাবাসী রাতের নিরাপত্তা জোরদার, প্রশাসনের নিয়মিত টহল বৃদ্ধি এবং দ্রুত চোরচক্রকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। ব্যবসায়ীরা বাজার এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন ও রাত্রীকালীন পাহারা জোরদারেরও আহ্বান জানান।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে বলে জানা গেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, চুরির ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, প্রশাসন ও জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এ ধরনের সংঘবদ্ধ চোরচক্র দমন করা কঠিন। তাই সবাইকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি সন্দেহজনক ব্যক্তিদের বিষয়ে দ্রুত পুলিশকে তথ্য দেওয়ার আহ্বান জানানো খোকসার বাজার কমিটি নির্বাচন দ্রুত হওয়া উচিত, চুরি রোধে ব্যবসায়ীদের দাবি খোকসার বাজার কমিটি নির্বাচন দ্রুত হওয়া উচিত, চুরি রোধে ব্যবসায়ীদের দাবি কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার বিভিন্ন বাজারে সম্প্রতি চুরি, দোকান ভাঙচুর ও রাতের নিরাপত্তাহীনতা বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, একটি শক্তিশালী ও সক্রিয় বাজার কমিটি না থাকায় বাজার ব্যবস্থাপনা দুর্বল হয়ে পড়েছে। তাই দ্রুত বাজার কমিটি নির্বাচন আয়োজনের দাবি তুলেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সচেতন মহল।ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কার্যকর বাজার কমিটি না থাকায় বাজারে শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় নানা সমস্যা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় বাজার এলাকায় পর্যাপ্ত নজরদারি না থাকায় চোরচক্র সক্রিয় হয়ে উঠছে। স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক দোকানে চুরির ঘটনা ঘটেছে। এতে ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তারা মনে করছেন, নির্বাচিত ও দায়িত্বশীল বাজার কমিটি থাকলে রাত্রীকালীন পাহারা, সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী করা সম্ভব হতো।ব্যবসায়ীরা আরও বলেন, বাজার কমিটি শুধু ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা নয়, বাজারের সার্বিক পরিবেশ, পরিচ্ছন্নতা, নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই দ্রুত সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব গঠন প্রয়োজন।সচেতন মহলের মতে, বাজার কমিটি সক্রিয় থাকলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে ঐক্য বাড়বে এবং যেকোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে সবাই একসাথে কাজ করতে পারবে। পাশাপাশি প্রশাসনের সাথেও সমন্বয় সহজ হবে।এদিকে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা রাতের টহল জোরদার, বাজার এলাকায় পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের দাবিও জানিয়েছেন।খোকসার সাধারণ ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা, দ্রুত বাজার কমিটি নির্বাচন সম্পন্ন করে একটি শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলক কমিটি গঠন করা হলে বাজারের নিরাপত্তা ও ব্যবসার পরিবেশ অনেকটাই উন্নত হবে।
Post Views: 179
Related