গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: গ্রামবাংলার মাঠজুড়ে সবুজের ফাঁকে হলুদ রঙে সাজিয়ে উঠেছে মাঠ। বসন্তের সুর্যের ঝলকানিতে ঝলমল হাসিতে রাঙিয়েছে সুর্যমূখীর ক্ষেত। গাইবান্ধার বনগ্রাম এলাকার ঘাঘট নদের তীরের পূর্ব শালাইপুরের টুনিরচরে সুর্যের মুখ করে হাসছে সুর্যমুখী। শস্য ক্ষেতের সৌন্দর্য উপভোগ করছে ফুলপ্রেমিরা। শালাইপুর গ্রামের নুরুল ইসলাম বানিজ্যিকভাবে দুই বিঘা জমিতে সুর্যমুখীর চাষ করেছে। বীজ,সার ও শ্রমিকসহ অন্যান্য ব্যয় হবে ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা। ফলন ও বাজার দাম ভালো থাকলে প্রায় ৩৫ হাজার টাকা লাভ হতে পারে। এ ফসলের দানা থেকে উৎপাদন হয় ভোজ্যতেল। সূর্যমুখির তৈলের চাহিদা অনেক বেশী। গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সুত্রে জানা যায়, সুর্যমুখী সারা বছরে চাষ করা যায়। তবে রবি মৌসুমে ভালো হয়। সুর্যমুখী সব ধরণের মাটিতে চাষ করা যায়। বীজ সারিতে বুনতে হয়। প্রতি হেক্টর ৮-১০ কেজি বীজ লাগে। বীজ বোনা থেকে প্রায় ১০০ দিনের মধ্যে এ ফসল ঘরে তোলা সম্ভব। প্রতি হেক্টর জমিতে প্রায় ২ টন দানা সংগ্রহ করা যায়। এ ফসল থেকে তৈল ছাড়াও গবাদি পশুর খাদ্য হিসেবে খৈল তৈরী হয়। গাছ জ্বালানী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। গাইবান্ধা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মো. বেলাল উদ্দিন বলেন, সুর্যমুখী চাষ অত্যান্ত লাভজনক। কৃষকদের লাভবান করতে তাদেও সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে।
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মধ্য দিয়ে জাতিসংঘ...







