স্টাফ রিপোর্টার ॥ ৩ জুলাই বুধবার দিনাজপুর প্রেসক্লাব ভবনে শহরের রাজবাড়ী সবজিবাগানের বাসিন্দা গৃহবধু নাসরিনের ভাই মোঃ সেলিম রেজা এক সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, গত ৭ দিন অতিবাহিত হলেও কোতয়ালী থানা পুলিশ আমার বোন নাসরিনের হত্যার এজাহার নিয়মিত মামলা হিসেবে রজু করেনি। এছাড়া প্রতিনিয়ত নাসরিনের স্বামী আমিনুল ইসলাম গুন্ডাবাহিনী নিয়ে আমাদের বাড়িতে এসে নাসরিনের রেখে যাওয়া দুই পুত্রকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করছে এবং মামলা তুলে নেওয়ার জন্য ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে আসছে।
সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত প্রতিবেদনে গৃহবধু নাসরিন হত্যার বাদী নাসরিনের ভাই মোঃ সেলিম রেজা জানায়, দিনাজপুর শহরের মাতাসাগর (হিন্দুপাড়া) মহল্লার মোঃ এলাহির পুত্র ঢাকায় বাবুর্চি কাজে কর্মরত মোঃ আমিনুল ইসলামের সাথে বিবাহ হয়। বিয়ের পর থেকে যৌতকলোভী স্বামী বিভিন্ন অজুহাতে স্ত্রী নাসরিনকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করে আসছিল। আমিনুল ও তার পরিবারের লোকজন ৩ লক্ষ টাকার জন্য প্রতিনিয়ত নাসরিননের উপর শারীরিক চালিয়ে আসছিল। গত ২৬ জুন আমিনুল ইসলাম রাত ১০টায় নাসরিনের বাড়িতে ফোন করে জানায়, নাসরিন গলায় ফাঁস দিয়েছে। তোমরা তারাতারি চলে এসো। সংবাদ পেয়ে নাসরিনের বাবা, ভাই এবং বোন গিয়ে দেখে নাসরিনকে নিচে শুইয়ে রাখা হয়েছে এবং সে জীবিত রয়েছে। তারা দ্রুত অটোতে করে এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এনে ভর্তি করে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৭ জুন নাসরিন মারা যায়। এব্যাপারে সরকারিভাবে একটি ইউডি মামলা দায়ের করা হয়। যার নং-৭৮/২০২৪ইং। এছাড়া মৃত: নাসরিনের ভাই সেলিম রেজা বাদী হয়ে নাসরিন হত্যার সাথে জড়িত সন্ধেহে স্বামী আমিনুল ইসলামসহ ৬ জনকে আসামী করে একটি এজাহার দায়ের করে দিনাজপুর কোতয়ালী থানায়। নাসরিনের পরিবারের সদস্য ও মামলার বাদী তার ভাই মোঃ সেলিম রেজা জানায়, আমরা ইতিমধ্যে কোতয়ালী থানা কর্তৃপক্ষ, পুলিশ সুপারের সাথে সাক্ষাত, মেডিকেলের ডাক্তার, পল্লীশ্রী’র সাথে দেখা করে বিষয়টি তদন্ত করে বিচার প্রার্থনা করেছি। সাংবাদিক সম্মেলনে বাদী সেলিম রেজা, গৃহবধু নাসরিনের পিতা আব্দুস সাত্তার, বোন রাশেদা খাতুন, আঞ্জুমান আরা ও ভগ্নিপতি মোঃ নাজমুল হক ও নাসরিনের মা উপস্থিত ছিলেন। তারা আরও জানান, ৭ দিন অতিবাহিত হলেও কি এক অজ্ঞাত কারণে কোতয়ালী থানা পুলিশ নাসরিন হত্যার এজাহার নিয়মিত মামলা হিসেবে রজু করেনি এবং উক্ত মামলার তদন্তকারী অফিসার কি এক অজ্ঞাত কারণে আজ পর্যন্ত ঘটনাস্থলে বা আমাদের নিকট এসে কোনপ্রকার তদন্ত করেন নাই। এছাড়া যৌতুকলোভী নাসরিনের স্বামী আমিনুল ইসলাম গুন্ডাবাহিনী নিয়ে এসে নাসরিনের দুই পুত্র সন্তানকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করলে এলাকাবাসীর বাধার মুখে তারা পালিয়ে যায়। আমরা সাংবাদিকদের মাধ্যমে বলতে চাই, নাসরিন হত্যার সুষ্ঠ বিচার না হলে আমরা পুলিশ সুপার বরাবর স্মারকলিপি ও মানববন্ধন করতে বাধ্য হবো।
অপ্রতিমের হত্যার বিচার দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
কুমিল্লা: অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থীরা। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কুমিল্লার...








