রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধি: গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বরেন্দ্র অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর অস্বাভাবিকভাবে নিচে নেমে গেছে। ফলে বারো মৌসুমে জমিতে সেচ দিতে চরম বিপাকে পড়েছে কৃষকরা। বাধ্য হয়ে ১৫-১৬ ফুট গভীর গর্ত করে সেখানে শ্যালো মেশিন বসিয়ে সেচ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর অস্বাভাবিকভাবে নিচে নেমে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে খাবার পানিতেও। ফলে বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকটে ভুগছে উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের মানুষ। বরেন্দ্র এলাকা হিসেবে পরিচিত গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সাপমারা, গুমানীগঞ্জ, কামদিয়া, কাটাবাড়ী, সাখাহার ও রাজাহার ইউনিয়ন। এসব ইউনিয়নের প্রতিবছর খরা মৌসুমে পানি সংকট দেখা দেয়। চলতি বছর ফালগুনের শুরুতেই এসব ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকায় পানির স্তর আশঙ্কাজনকভাবে নিচে নেমে যায়। সাধারণ শ্যালো মেশিনে পানি না ওঠায় কৃষকদের অনেকেই বাধ্য হয়ে সাবমারসিবল পা¤েপর সাহায্যে মাটির গভীর থেকে পানি উত্তোলন করে সেচ কাজ পরিচালনা করছে। সেচের পাশাপাশি দৈনন্দিন কাজে ব্যবহার্য পানির তীব্র হাহাকার দেখা দিয়েছে। মাদারপুর, জয়পুর, সাহেবগঞ্জ, চক রহিমাপুর, পলুপাড়া, রামপুরা, সিন্টাজুরী, গোয়ালপাড়া ও শ্রীপুর মদনপুরসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার সাধারণ নলকূপগুলোর পানি উঠছে না। ভূগর্ভস্থ পানির অপরিকল্পিত ও অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে প্রতিবছরই এ অঞ্চলে পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে। ফলে আগামীতে এই এলাকায় পানি সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এবিষয়ে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. শাহ আলম বলেন, প্রতিবছর উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে পানি সংকট দেখা দেয়। সাধারণ নলকূপে পানি না ওঠায় এই সমস্যা সমাধানে আমরা এখন আলাদা প্রযুক্তির নলকূপ সরবরাহ করছি। প্রতিবছর আশঙ্কাজনক হারে পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার এমন পরিস্থিতি ঠেকাতে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার মাধ্যমে সরকার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে,এমনটাই প্রত্যাশা ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর।
পলাশবাড়ী উপজেলায় গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার এলাকায় চাঞ্চল্য
পলাশবাড়ী উপজেলায় গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার এলাকায় চাঞ্চল্য মোঃ আশরাফুল ইসলাম আকন্দ স্টাফ রিপোর্টার গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় সাবেক ইউপি...








