বিদেশে যাত্রা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সরকার,ও বাংলাদেশ ব্যাংক প্রজ্ঞাপন দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে কোন সরকারি চাকরিজীবি, বেসরকারী চাকরিজীবি বিদেশে যেতে পারবে না। বাংলাদেশ ব্যাংকও প্রজ্ঞাপন জারি করে দিয়ে বলেছে সরকারি বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কোন কর্মকর্তা কর্মচারীদের বিদেশে যাওয়ার সুযোগ নেই। এখন বাকি থাকলো দেশের রাজনীতির নেতাকর্মী ও ব্যাবসায়ীমহল।আন্তর্জাতিক বিশ্বের বিভিন্ন পরাশক্তি দেশের দুর্নীতিবাজ রাজনৈতিক নেতা, আমলা ও অর্থ পাচারকারী ব্যবসায়ীদের উপর অলিখিত নিষেধাজ্ঞা ইতিমধ্যেই জারি করে দিয়েছে।অনেক রাজনৈতিক দলের নেতা বিদেশে চিকিৎসার নামে পালিয়ে গিয়েও ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছেন।দুর্নীতিবাজ অর্থ পাচারকারীরা বিদেশে পালিয়ে গিয়ে এখন ধরা পড়েছেন জেল খাটছেন।অনেক আমলা এরইমধ্যে বিদেশে পালাতে গিয়ে দুবাই থেকে দেশে ফেরত আসতে বাধ্য হয়েছে । ফেডারেল বুরো অব ইনভেস্টিগেশন(এফবিআই) দুর্নীতির পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনতে সহায়তায় এগিয়ে এসেছে। কাউকে কাউকে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে ডেকও নিতে শুরু করেছে । তারা ফাইনান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স এর সহায়তা নিয়ে আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিউনের বিভিন্ন দেশের ব্যাংকগুলোতে পাচারকৃত অর্থ ও পাচার করা অর্থ দিয়ে ক্রয়কৃত সম্পদের হিসাব প্রস্তুত করেছে। সম্প্রতি প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতে বাংলাদেশের অর্থ পাচারকারী পিকে হালদার গ্রেফতার তার প্রমাণ। অচিরেই বাংলাদেশের অর্থ পাচার নিয়ে আন্তর্জাতিক দুনিয়ায় আরো কয়েকটি চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণা করা হবে ।। বিপদ ঘনিয়ে এসেছে চারিদিকে অন্ধকার।। পালিয়ে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই।। দেশের দুর্নীতিবাজ আমলা, ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদেরা নীচের ছবির মতো খাঁচায় আটকে আছে।।সেই কথাই সত্যি হতে চলেছে বাঘে ধরলে ছাড়ে কিন্তু শেখ হাসিনা ধরলে ছাড়ে না।।সবগুলোকে নৌকায় তুলে নিয়ে টুস করে পদ্মানদীতে নৌকা ডুবিয়ে দিবে।।পদ্মাসেতুতে গিয়ে পূর্ণিমার চাঁদ দেখার সুযোগ কেউ পাবে না।।
ফেজবুক থেকে সংগৃহিত।







