মোঃ জহির খান
জেলা প্রতিনিধি
ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলার ৯ নং শুভপুর ইউনিয়নের কৈয়ারা গ্রামের এক অসহায় বিধবা নারী রহিমা বেগম। স্বামী মৃত বশর মিয়া মারা যাওয়ার পর থেকেই তার জীবনে নেমে এসেছে ঘোর অন্ধকার। বর্তমানে তার নিজের বলতে মাথা গোঁজার কোনো ঠাঁই নেই, নেই আয়ের কোনো নিশ্চিত উৎস।
সরেজমিনে দেখা যায়, জীর্ণশীর্ণ এক কোণায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন এই বৃদ্ধা। জানা গেছে, রহিমা বেগমের তিনটি মেয়ে রয়েছে। অত্যন্ত অভাবের কারণে নিজের শেষ সম্বলটুকু অর্থাৎ বাড়ির জায়গাটুকুও বিক্রি করে দিয়ে মেয়েদের বিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু দারিদ্র্যের কশাঘাতে জর্জরিত মেয়েজামাইরাও অত্যন্ত অসহায় হওয়ায় মায়ের দেখভাল করার মতো সামর্থ্য তাদের নেই।
বর্তমানে এই বয়সে এসে রহিমা বেগম একদিকে যেমন গৃহহীন, অন্যদিকে তার দুবেলা দুমুঠো আহার জোটানোও দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা জানান, একজন বয়স্কা নারী হিসেবে তার জন্য একটু নিরাপদ আশ্রয় ও মানবিক সহায়তা এখন সময়ের দাবি।
বিধবা রহিমা বেগম অশ্রুসজল নয়নে বলেন, “আমার সব শেষ হয়ে গেছে। এখন থাকার মতো একটা ঘরও নেই। আমি কি মানুষের কাছে একটু সহানুভূতি পেতে পারি না? দেশের ও প্রবাসের ভাইদের কাছে আমার একটাই আকুতি, যেন আমার শেষ বয়সে একটু মাথা গোঁজার ব্যবস্থা হয়।”
শুভপুর ইউনিয়নের সচেতন মহল ও এলাকাবাসী জানান, সরকার কিংবা কোনো বেসরকারি সংস্থা যদি রহিমা বেগমের সহায়তায় এগিয়ে আসত, তবে এই অসহায় নারী হয়তো একটু শান্তিতে বাকি জীবনটা কাটাতে পারতেন।
এই মানবিক আবেদনে সাড়া দিতে সমাজের শিল্পপতি, দেশি-বিদেশি প্রবাসী ভাই-বোন, মানবাধিকার কর্মী এবং বিভিন্ন সেবা সংস্থাকে এগিয়ে আসার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।







