জাদরানের টর্নেডোতে বাংলাদেশকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে আফগানিস্তান। এই জয়ে সুপার নিশ্চিত হয়ে গেল আফগানদের। ১২৭ রানের লক্ষ্য টপকাতে নেমে দুই আফগান ওপেনারের মন্থর শুরু, ৪ ওভার উইকেট না দিলেও সাকিব পঞ্চম ওভারে সাকিব আল হাসানের বল মারতে গিয়ে স্টাম্পিং হন ১১ (১৮) রান করা রহমানউল্লাহ গুরবাজ।
এদিন ধীরে রান তুলতে থাকেন হজরত উল্লাহ জাজাই। ২৬ বলে ২৩ রান করে এলবিডব্লু হন মোসাদ্দেকের বলে। মোসাদ্দেক হোসেনকে ছয় মেরে দলের জয় নিশ্চিত করেন নাজিবুল্লাহ জাদরান।
মোহাম্মদ নবি যখন ফেরেন, ৪২ বলে আফগানিস্তানের প্রয়োজন ছিল ৬৬ রান। ম্যাচে তখন ফেভারিট ছিল বাংলাদেশই।
তবে চিত্রটা বদলে দিলেন দুই জাদরান-নাজিবুল্লাহ ও ইব্রাহিম। বিশেষ করে নাজিবুল্লাহ। মাত্র ১৭ বলে ৪৩ রান করে অপরাজিত থাকলেন তিনি। ইব্রাহিমের সঙ্গে তার জুটি অবিচ্ছিন্ন ছিল ৩৩ বলে ৬৯ রানে।
বাংলাদেশকে হারিয়ে সবার আগে সুপার ফোর নিশ্চিত করল আফগানিস্তান। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের ম্যাচটি এখন বাঁচামরার দুই দলের জন্যই। সে ম্যাচে জয়ী দল গ্রুপ ‘বি’ থেকে আফগানদের সঙ্গী হবে সুপার ফোরে।
জয়ের লক্ষ্য ছিল মাত্র ১২৮ রানের। বাংলাদেশের বোলারদের তাই দারুণ কিছুই করতে হতো। প্রথম ১৫ ওভার অবশ্য আফগানদের ভালোই চাপেই রেখেছিলেন সাকিব-মোসাদ্দেক-সাইফউদ্দিনরা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর পারেনি টাইগাররা।
পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ১ উইকেটে মাত্র ২৯ রান তুলতে পারে আফগানিস্তান। পঞ্চম ওভারে সাকিব আউট করেন আগের ম্যাচে লঙ্কানদের বিপক্ষে ঝড় তোলা রহমানুল্লাহ গুরবাজকে।
সাকিবকে ডাউন দ্য উইকেটে খেলতে গিয়ে লাইন মিস করেন গুরবাজ (১৮ বলে ১১)। মুশফিক স্টাম্প ভেঙে দিতে একটুও দেরি করেননি। আফগানিস্তান প্রথম উইকেট হারায় দলীয় ১৫ রানে।
এরপর উইকেটে থিতু হয়ে গিয়েছিলেন হযরতউল্লাহ জাজাই। ইব্রাহিম জাদরানের সঙ্গে ৩১ বলে ৩০ রানের জুটি গড়েন এই ওপেনার। অবশেষে ইনিংসের দশম ওভারে তাকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেন মোসাদ্দেক। জাজাইয়ের ব্যাট থেকে আসে ২৬ বলে ২৩।
৪৫ রানে ২ উইকেট হারানোর পর আগেভাগেই নেমে পড়েন আফগান অধিনায়ক মোহাম্মদ নাবি। তবে সুবিধা করতে পারেননি। ১৩তম ওভারে বল হাতে নিয়েই সাইফউদ্দিন এলবিডব্লিউ করেন তাকে (৯ বলে ৮)।








