ওয়ানডে বিশ্বকাপে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে পাকিস্তানের সামনে রানের পাহাড় দাঁড় করিয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া। পাকিস্তানি বোলারদের বিপক্ষে জোড়া সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার এবং মিচেল মার্শ।
শুক্রবার (২০ অক্টোবর) বেঙ্গালুরুতে দুই ওপেনারের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৯ উইকেটে ৩৬৭ রানের বড় পুঁজি পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া।
এদিন টস জিতে অস্ট্রেলিয়াকে ব্যাটিংয়ে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম। আগে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ঝড় তোলেন অস্ট্রেলিয়ার দুই উদ্বোধনী ব্যাটার। শেষ পর্যন্ত দুজনের জুটি থামে ২৫৯ রানে শাহিন আফ্রিদির বলে মিচেল মার্শ উসামা মিরের হাতে ক্যাচ দিলে। পরের বলে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে শূন্য রানে ফিরিয়ে দুই বলে দুই উইকেট নেন শাহিন শাহ আফ্রিদি।
এর আগে বিশ্বকাপে উদ্বোধনী জুটিতে অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ রান ছিল ১৮৩। ২০১১ বিশ্বকাপে কানাডার বিপক্ষে। তা ছাড়া বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডও এটি।
আজকের ম্যাচে অজিরা ৯ উইকেট হারিয়ে তুলেছে ৩৬৭ রান। এরমধ্যে দুই ওপেনার মিশেল মার্শ ও ডেভিড ওয়ার্নারই করেছেন ২৮৪ রান। মিশেল মার্শ ও ওয়ার্নারের জুটি ভেঙেছিল ২৫৯ রানে। ১০৮ বলে ১২১ রান করা মার্শকে সাজঘরে ফিরিয়েছিলেন শাহিন আফ্রিদি। তার পরের বলেই গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকেও শূন্য রানে সাজঘরে ফেরান তিনি। উসমান মিরের শিকার হয়ে ৮ রানে সাজঘরে ফেরেন স্টিভেন স্মিথ।
তবে একপ্রান্ত আগলে রাখেন ওয়ার্নার। শেষ পর্যন্ত দলীয় ৩২৫ রানের মাথায় হারিস রউফের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। আর যাওয়ার আগে ১২৪ বলে ১৬৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেছেন অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ওপেন করতে নামা এই ব্যাটার।
পরে জশ ইংলিশকেও (৯ বলে ১৩ রান) সাজঘরে ফেরান হারিস রউফ। সবমিলিয়ে পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ উইকেট শিকার করেছেন শাহিন আফ্রিদি। অজিদের পাঁচ ব্যাটারকে ফিরিয়েছেন তিনি। হারিস রউফও নিয়েছেন ৩ উইকেট।টস জিতে অস্ট্রেলিয়াকে ব্যাটিংয়ে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম। আগের ম্যাচে ভারতের কাছে তুলোধুনো হওয়া পাকিস্তানের বোলাররা আজকের ম্যাচেও খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি।
সংক্ষিপ্ত স্কোর :
অস্ট্রেলিয়া : ৫০ ওভারে ৩৬৭/৯। (ওয়ার্নার ১৬৩, মার্শ ১২১, ম্যাক্সওয়েল ০, স্মিথ ৭, স্টোয়নিস ২১, ইঙ্গলিশ ১৩, লাবুশেন ৮, কামিন্স ৬, স্টার্ক ২, হ্যাজেলউড ০, জাম্পা ; আফ্রিদি ১০-১-৫৪-৫, হাসান ৮-০-৫৭-০, ইফতিখার ৮-০-৩৭-০, রউফ ৮-০-৮৩-৩, মির ৯-০-৮২-১, নেওয়াজ ৭-০-৪৩-০)।








