বেইলি রোডে গ্রীণ কোজি কটেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ জনের মৃত্যুর পর অভিযান শুরু হয়েছে সমস্ত রাজধানী জুড়ে। ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি), রাজউক এবং সিটি করপোরেশনের অভিযানে বন্ধ হয়েছে নামিদামি অনেক রেস্টুরেন্ট।
এরমধ্যে ডিএমপির ১৩৪৭টি অভিযানে আটক করা হয়েছে ৮৭২ জনকে। মামলা হয়েছে ২০ টি।
বুধবার (৬ মার্চ) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেসন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) কে এন রায় নিয়তি এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, গত ৩ মার্চ থেকে ডিএমপির একাধিক ইউনিট অভিযান শুরু করে। সেদিন তারা ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ২৭৫টি হোটেল ও রেস্টুরেন্টে অভিযান চালায়। এসময় নানা অসঙ্গতি পেয়ে পাঁচটি মামলা হয় ও ৩৭৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়। আর তাৎক্ষণিক সাজা দেওয়া হয় ২০৪টি প্রতিষ্ঠানকে। তবে প্রথমদিন অভিযানে কোনো ঝুঁকিপূর্ণ গ্যাস সিলিন্ডার ও গোডাউন পায়নি অভিযান চালানো টিমগুলো।
পরদিন ৪ মার্চ ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ৫৬২টি হোটেল ও রেস্টুরেন্টে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ৪৫৫টি হোটেল-রেস্টুরেন্টে ১০৪টি ঝুঁকিপূর্ণ গ্যাস সিলিন্ডার ও তিনটি কেমিক্যাল গোডাউন পাওয়া যায়। মামলা হয় ৫টি এবং বিভিন্ন অপরাধে ২৭০ জনকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযানে ২২৯টি প্রতিষ্ঠানকে তাৎক্ষণিক সাজা ও জরিমানা করা হয়।
সর্বশেষ গতকাল মঙ্গলবার (৫ মার্চ) ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ৫১০টি হোটেল ও রেস্টুরেন্টে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ৪০২টি হোটেল-রেস্টুরেন্টে ১০৩টি ঝুঁকিপূর্ণ গ্যাস সিলিন্ডার ও পাঁচটি কেমিক্যাল গোডাউন পাওয়া যায়। মামলা হয় ১০টি এবং বিভিন্ন অপরাধে ২২৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযানে ১৯২টি প্রতিষ্ঠানকে তাৎক্ষণিক সাজা ও জরিমানা করা হয়।







