গোপাল চন্দ্র রায়, ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ নীলফামারীর ডোমারে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিরোধীয় জমিতে বালু এবং ইটের খোয়া ফেলানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে, বুধবার দুপুরে ডোমার সদর ইউনিয়নের আন্ধারুর মোড় নামক এলাকায়।
সরজমিন গিয়ে জানা গেছে, বর্ণিত ৩৭০০দাগে ০৭শতাংশ, ৩৭০১দাগে ১৮শতাংশ এবং ৩৬৯৭ দাগে ১৭শতাংশ জমিনের মালিক যথাক্রমে রুহুল আমিন, নুরল আমিন ও আবুল হাশেম। রুহুল আমিন মৃত্যু বরণ করিলে তার অংশের জমিনের মালিক হন রুহুল আমিনের একমাত্র কন্যা সামসুন নেহার। সামসুন নেহার তার অংশের ৭.১২ শতাংশ জমি পূর্ব চিকনমাটি গ্রামের জনৈক আনিছার রহমানের ছেলে জুয়েল ইসলামের কাছে বিক্রি করেন। বিক্রিত জমিনের দখল স্বত্ব নিয়ে গত ২৯/১১/২০২৩ইং তারিখে বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৪৪/১৪৫ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন আবুল হাশেম। মামলা নং এম আর- ৩৮২/২৩। অপর দিকে একই আদালতে আবুল হাশেম ও নুরুল আমিনের বিরুদ্ধে একই ধারায় অপর একটি মামলা করেন জুয়েল ইসলাম। মামলা নং- পিটিশন-৩৮৩/২৩ । মামলার প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালত বিরোধীয় জমিতে শান্তি শৃংখলা বজায় রাখতে বিরোধীয় জমিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। একই সাথে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ডোমারকে বিরোধীয় জমিনের তদন্ত প্রতিবেদন প্রদানের নির্দেশ দেন। ইতিমধ্যে সহকারী কমিশনারের পক্ষ থেকে সরজমিন তদন্ত সম্পন্ন করা হয়েছে। এরই মধ্যে গত বুধবার ২৪/০১/২০২৪ইং তারিখে জুয়েল ইসলাম বিরোধীয় জমিতে বালু এবং ইটের খোয়া ফেলে দখল করার চেষ্টা করে। এ বিষয়ে আবুল হাশেম জানান, ১৯৭৩সালে জমি কেনার পর থেকে ওই জমি ভাইদের সাথে হারাহারি সুত্রে মৌখিক বাটোয়ারা করে আমি ভোগ দখল করে আসছি। হঠাৎ করে আমার বড়ভাই রুহুল আমিনের একমাত্র মেয়ে সামসুন নেহার আমার দখলিও জমি বিক্রি করে দেন। ওই জমি ইতিপূর্বে আমি আমার মেয়ে এবং স্ত্রীর নামে রেজিষ্ট্রি করে দেই। তাই আমি আদালতে মামলা করেছি। জুয়েল ইসলাম আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিরোধীয় জমিতে বালু এবং ইটের খোয়া ফেলেছে।
#
গোপাল চন্দ্র রায়, ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ







