গোপাল চন্দ্র রায়, ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ নীলফামারীর ডোমার উপজেলার পাঙ্গা মটুকপুর ইউনিয়নে অবস্থিত পাঙ্গা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে প্রতিষ্ঠাতা দাতার নাম বসানো নিয়ে দ্বন্দ্বের তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে ৩সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি সরজমিন বিদ্যালয়ে গিয়ে তদন্ত সম্পন্ন করেন।
জানা গেছে, ১৯৯৪সালে প্রতিষ্ঠিত পাঙ্গা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সময় ওই এলাকার জনৈক শিক্ষানুরাগী বীর মুক্তিযোদ্ধা সহিদুল ইসলাম বিদ্যালয়ের নামে গত ১২/১২/১৯৯৫ইং তারিখে ৬৩০২নং দলিল মূলে ১একর জমি দান করেন। সম্প্রতি বিদ্যালয়টির প্রধান ফটকে একটি গেট নির্মাণের বরাদ্দ পায় বিদ্যালয় কতৃপক্ষ। প্রধান ফটকের গেটে প্রতিষ্ঠাতা এবং দাতার নাম বসানোর দাবি জানায় প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও জমি দাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা সহিদুল ইসলামের ছেলে নুরনবী প্রধান। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তরণী কান্ত রায় এতে আপত্তি জানায়। এ নিয়ে দ্বন্দ্ব শুরু হলে বীর মুক্তিযোদ্ধা সহিদুল ইসলামের ছেলে নুরনবী প্রধান ডোমার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সাকেরিনা বেগমকে আহবায়ক, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নুরুন্নবী ও ডোমার বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রবিউল আলমকে সদস্য করে ৩সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে মতামত চাওয়া হয়। এরই প্রেক্ষিতে তদন্ত করেন ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি। এ বিষয়ে অভিযোগকারী নুরনবী প্রধান জানান, অনেক বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও দাতার নাম লেখা রয়েছে। তাই আমিও পাঙ্গা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও জমি দাতা হিসেবে আমার মরহুম বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম বসানোর দাবি জানিয়েছি।
প্রধান শিক্ষক তরণী কান্ত রায় জানান, পাঙ্গা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে দুই জন দাতা রয়েছে। এছাড়া বিধি মোতাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও দাতার নাম অন্তর্ভুক্ত করার কোন সুযোগ নাই।
তদন্ত কমিটির আহবায়ক উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সাকেরিনা বেগম জানান, আমরা বিষয়টি তদন্ত করলাম। বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পর থেকে সকল তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করেছি।আমরা সবকিছু মতামত রিপোর্টে উল্লেখ করবো।







