আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর তানোরের রাজনৈতিক অঙ্গনে আদর্শিক নেতৃত্ব গড়ার কারিগর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না। তার হাতে যে নেতৃত্ব নিরাপদ তিনি তার কর্মকান্ডের মধ্য দিয়ে বার বার প্রমাণ দিয়েছেন। আওয়ামী লীগের সামনে যখনি কোনো অশুভ লক্ষন বা সঙ্কেত তখনি ত্রাণ কর্তা হয়ে ময়নার আবির্ভাব। বিগত দিনে দলের সভাপতি ও সম্পাদক প্রকাশ্যে এমপির বিরোধীতা করে নেতাকর্মীদের পথভ্রুষ্ট করার চেষ্টা করেছিলেন। এ সময় ময়না মাঠে নেমে এমপির দিকনির্দেশনায় একক প্রচেষ্টায় সকল নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ করে এমপির পক্ষে নিয়ে এসেছিলেন। এতে সভাপতি-সম্পাদকের সকল ষড়যন্ত্র-অপতৎপরতা অঙ্কুরেই বিনষ্ট হয়ে যায়। রাজনীতিতে উঙ্খান-পতন, চাওযা-পাওয়া না পাওয়া এমনকি কোনো লোভ-লালসার স্রোতে তিনি কখানোই গা-ভাসিয়ে দেননি, বা নীতিনৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে ব্যক্তিগত লাভের আশায় আদর্শচ্যুৎ হয়ে, মুলধারা ত্যাগ বা বিপরিতে অবস্থান করেননি, এখানো মুল ধারার সঙ্গে থেকে রাজনীতি করে যাচ্ছেন।
জানা গেছে, অবৈধ অর্থের মোহ-হাতছানিতে যখন দলের হেভিওয়েট দাবিদার দায়িত্বশীল নেতারা নীতিনৈতিকতা, আদর্শ বিসর্জন দিয়ে নেতা-নেতৃত্বের সঙ্গে বেইমানী করে এমপির বিরোধীতার নামে নৌকার বিপক্ষে কাজ করেছেন, তখনো ময়না আদর্শচ্যুৎ না হয়ে তার কর্মীবাহিনী নিয়ে একাই তাদের মোকাবেলা করেছেন। আদর্শিক নেতৃত্ব হিসেবে দলমত নির্বিশেষে সব শ্রেণী-পেশার মানুষের প্রিয় মূখ কর্মী-জনবান্ধব ও তরুণ নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না। এসব বিবেচনায় এই জনপদের মানুষ তাকে রাজনীতির গয়না উপাধি দিয়ে সম্মানিত করেছে। গয়না (অলঙ্কার) যেমন মানুষের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে আবার বিপদের সময় সেই গয়নার (অলঙ্কার) বিনিময়ে বিপদ মুক্ত হয়। রাজনীতিতে তেমনি ময়না গয়নার ভূমিকা পালন করছে। আজকের বিলাসীতা আগামির ভবিষ্যৎ তেমনি রাজনীতিতে ময়নাকে রাজনীতির গয়না হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কারণ তৃণমূলের নেতা ও কর্মী-সমর্থকগণের সঙ্গে সহাবস্থান ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতি করে ময়না রাজনীতির সোভা বৃদ্ধি করেছে, আবার তারা বিপদের মূখে পড়লে ময়না তাদের বিপদ মুক্ত করছে। এছাড়াও এই জনপদের কোনো মানুষ ময়নার কাছে কোনো বায়না করে পায়নি এমন এক জনকেও পাওয়া যাবে না বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে। তৃণমুলের ভাষ্য, আদর্শিক, কর্মী-জনবান্ধব, পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজ, তরুণ ও মেধাবী নেতৃত্ব হিসেবে ময়না সকলের কাছে এখানো সমান জনপ্রিয়। এসব বিবেচনায় স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর পরবর্তী নেতৃত্ব হিসেবে ময়নাকে মনে করা হয়। তিনি গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ এবং সামনের সারিতে থেকে দিয়েছেন সফল নেতৃত্ব। দল ও জনগণের অধিকার রক্ষায় তিনি একজন নিবেদিত প্রাণ, জনবান্ধব, আদর্শিক, পরীক্ষিত ও লড়াকু সৈনিক হিসেবে ধীরে ধীরে গণমানুষের আস্থার প্রতিক ও নেতৃত্ব হয়ে উঠেছেন । তৃণমূল ময়নাকেই এমপি ফারুক চৌধূরীর পরবর্তী নেতৃত্ব হিসেবে বিবেচনা করে তার ওপর আস্থা ও ভরসা রেখেছেন। তিনি আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব অর্থ নয় মেধা আদর্শের কাছে রাখতে চান। তিনি বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের উন্নয়নের ধারাকে এগিয়ে নিয়ে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ করে এগিয়ে যেতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন । এসব সংগঠনের নেতাকর্মীরা এখনো তাকেই তাদের প্রতিনিধি মনে করেন ও তাদের যে কোন সমস্যায় তার কাছে ছুটে আসেন। সমস্যার সমাধান পাওয়া না পাওয়া বড় কথা নয়, কিন্তু ময়না মনোযোগ সহকারে তাদের কথা শোনেন। তানোর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের ইসলাম বলেন, ময়না ভাইয়ের রাজনৈতিক দুরদর্শীতা ও নেতৃত্বগুনের কথা বলে শেষ করা যাবে না কারণ তিনি এমন একটি মানুষ তার তুলনা হয় না, এক কথায় বলতে গেলে এমপি মহোদয়ের দিকনির্দশনায় পুরো আওয়ামী লীগের রাজনীতি তিনি সচল রেখে আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী করেছেন এবং এখানো তৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন।
এদিকে উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের কাউন্সিলের সময় নির্ধারণ না হলেও আগামি সম্মেলনে যুবলীগকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ইতমধ্যে উপজেলা যুবলীগ মাসব্যাপী কর্মসুচি ঘোষণা করে ওয়ার্ড কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে তাদের কর্মসুচি শুরু করেছেন। উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না এবং সম্পাদক জুবায়ের ইসলামসহ সাংগঠনিক নেতারা
এসব কর্মসুচিতে উপস্থিত থেকে স্থানীয় সাংসদের পক্ষ থেকে
দিকনির্দেশনামুলক বক্তব্য রাখছেন। এতে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দিপনা ও রাজনীতিতে প্রাণচাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। স্থানীয় রাজনীতির মাঠ চাঙ্গা ও নেতাকর্মীদের এক কাতারে নিয়ে আসতে ময়নার কোনো বিকল্প নাই সেটা আবারো প্রমাণ হয়েছে। এদিকে এসব কর্মসুচির অংশ হিসেবে গত ২৩ এপ্রিল শনিবার চাঁন্দুড়িয়া ইউপি যুবলীগের সহসভাপতি আইয়ুব আলীর সভাপতিত্বে ও আনোয়ার হোসেন দুলালের সঞ্চালনায় চাঁন্দুড়িয়া আবু বকর স্কুল এ্যান্ড কলেজ চত্ত্বরে আয়োজিত যুবলীগের ওয়ার্ড কমিটি গঠন সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না এবং প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের ইসলাম ও বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান প্রমুখ। এদিন ইউপি যুবলীগের প্রতিটি ওয়ার্ড কমিটি গঠন করা হয়েছে। এদিকে এসব কর্মসুচি গ্রহণের ফলে দীর্ঘদিন পর যুবলীগের রাজনীতিতে রাতারাতি হয়েছে নাটকিয় পরিবর্তন, নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের মাঝে ফিরে এসেছে প্রাণচান্চল্য। তৃণমুলের নেতাকর্মীরা ঐক্যর প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করে দীর্ঘদিনের মান-অভিমান ভুলে একে-অপরকে কাছে টানছে, এতে তাদের মধ্য দীর্ঘদিনের বিরাজমান ক্ষোভ-অসন্তোষের বরফ গলতে শুরু করেছে। ব্যবসা-বাণিজ্যে, চাওয়া-পাওয়া না পাওয়া ও মান-অভিমানসহ নানা কারণে যেসব নেতাকর্মীরা এতোদিন নিস্ক্রীয় ছিল।এসব কর্মসুচি ঘিরে স্থানীয় সাংসদ ও উপজেলা চেয়ারম্যানের প্রতি পুর্নআস্থা রেখে তারাও নবউদ্দ্যেমে রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে মুল ধারায় ফিরে এসেছে, তারা বুঝতে পেরেছেন মুল স্রোতের বিপরীতে বেশী সময় টিকে থাকা যায় না। উপজেলা যুবলীগের একটাই ভিশন আগামী সাধারণ নির্বাচনে ফারুক চৌধুরীকে আবারো বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী করা। কারণ এখানে এখানো এমপি ফারুক চৌধুরীর বিকল্প তেমন কোনো নেতৃত্ব গড়ে উঠেনি। ফলে রাজনীতির মাঠে যে যতো কথা বলুক আর বগী আওয়াজ তুলুক, এমপি ফারুক চৌধুরীর নেতৃত্বের প্রতি তৃণমুলের সকল নেতাকর্মী ঐক্যবদ্ধ। ঐক্যবদ্ধ এসব নেতাকর্মীর একটাই প্রত্যাশা আগামি সাধারণ নির্বাচনে যেকোনো মুল্য তাদের প্রাণের নেতা ফারুক চৌধুরীকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে এমপি নির্বাচিত করা।
Post Views: 393
Related