অলিফ হোসেন, তানোর
রাজশাহীর তানোরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কথিত মাস্টাররোল কর্মচারিদের (লাইনম্যান) ঘুষ বাণিজ্য সমিতির সাধারণ গ্রাহকরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। তানোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির একশ্রেণীর কর্মকর্তার নেপথ্যে যোগসাজশে কথিত লাইনম্যানরা সাধারণ গ্রাহকের মিটারে গ্রাহক ক্রুটি দেখিয়ে হাজার হাজার টাকা ঘুষ বাণিজ্য করছেন। ইতি মধ্যে তাদের রাহুগ্রাস থেকে পরিত্রাণের আশায় সাধারণ গ্রাহকরা বিষয়টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির রাজশাহী জেনারেল মানেজারের (জিএম) কাছে লিখিত অভিযোগ করলেও কোনো প্রতিকার পাননি উল্টো অভিযোগকারীদের সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণসহ বিভিন্ন কৌশলে হয়রানি করা হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে আবাশিক ও বাণিজ্যিক সংযোগ পেতে এসব কথিত লাইনম্যানদের বড় অংকের টাকা ঘুষ দিতে হচ্ছে। তানোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কালিগঞ্জ স্টেশনের ইনচার্জ, কলমা স্টেশনের ইনচার্জ, লাইনম্যান সেলিম রেজা, সাদিকুল ইসলাম ও লিটন রহমানের দাপটে গ্রাহকরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। তারা সাধারণ গ্রাহকদের জিম্মি করে তারা হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। ইতিপূর্বে অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগে লাইনম্যান লিটন ও সেলিম রেজাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট এলাকার বিদ্যুৎ গ্রাহক ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
অভিযোগে প্রকাশ, উপজেলার রামনাথপুর গ্রামের আতিকুর রহমান তাঁর একটি সংযোগ মিটার অন্যত্র স্থান্তরের জন্য কলমা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে আবেদন করেন। কলমা বিদ্যুৎ অফিসের ইনচার্জ মিটার স্থান্তরের দায়িত্ব দেন কথিত লাইনম্যান সাদিকুল ইসলামকে। সাদিকুল ইসলাম দায়িত্ব পেয়ে মিটার স্থান্তরের জন্য অফিস খরচ হিসেবে এক হাজার ২০০ টাকা দাবি করেন। গ্রাহক আতিকুর পরে বাধ্য হয়ে সাদিকুলের হাতে ৫০০ টাকা দিয়ে পরে বাকি ৭০০ টাকা দেওয়ার কথা বলেন। কিšত্ত সাদিকুল গ্রাহকের কাছে থেকে ৫০০ টাকা হাতিয়ে নিলেও তাঁর মিটার স্থান্তর না করে নানা টালবাহানা করে সময় ক্ষেপন করতে থাকেন। বিষয়টি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে জানানো হলে তাঁর হস্তক্ষেপে সাদিকুল মিটার স্থান্তর করে দেন। এ সময় তিনি ইচ্ছেকৃতভাবে মিটারের সিলমোহর কেটে মিটার স্থান্তর করেন। পল্লী বিদ্যুৎ কলমা সাব-স্টেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তারা বিষয়টি অবহিত করেন। এ অবস্থায় তিনি প্রায় ৬ মাস ধরে ওই মিটার ব্যবহার করে নিয়মিত বিল পরিশোধ করে আসছেন। কিšত্ত হঠাৎ করে কলমা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ইনচার্জ স্বাক্ষরিত একটি নোটিশ দিয়ে তার মিটার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। তিনি সংযোগ বিচ্ছিন্নর কারণ জানতে চাইলে তাকে জানানো হয় মিটারে ক্রটি রয়েছে। এ ছাড়াও রাঁতের আঁধারে কথিত লাইনম্যানরা সাধারণ গ্রাহকের মিটারের সিলমোহর কেটে দিয়ে গ্রাহকদের মামলা-মোর্কদ্দমার ভয় দেখিয়েও হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে গ্রাহকরা অভিযোগ করেছেন। এ ব্যাপারে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি (তানোর) সহকারী জেনারেল ম্যানেজার সানোয়ার হোসেন এসব অভিযোগ অশিকার করে বলেন, কারো বিরুদ্ধে সুনিদ্রিষ্ট অভিযোগ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সেলিম ও সাদিকুল তাঁর অফিসের কেউ নয়। তাদের দ্বারা গ্রাহকরা প্রতারিত হলে সেক্ষেত্রে তাদের করনীয় কিছু নেই। #
নলডাঙ্গা থানার নবাগত ওসির শুভেচ্ছা বার্তা
নলডাঙ্গা থানার নবাগত ওসির শুভেচ্ছা বার্তা মোঃ রবিউল ইসলাম নলডাঙ্গা(নাটোর) সংবাদদাতা নাটোরের নলডাঙ্গা থানার নবাগত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মনোয়ার জাহান...








