দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজের অভিযোগে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এবার সেই অভিযোগেই আরো ১১ জন কেন্দ্রীয় নেতাকে নজরদারিতে রেখেছে বিএনপির হাইকমান্ড।
দলটির নয়াপল্টনের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমানের স্বেচ্ছাচারিতার কারণে শওকত মাহমুদকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় দলটির হাইকমান্ড।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য বলেন, তারেক রহমানের সিদ্ধান্তে দল থেকে শওকত মাহমুদকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আরো ১১ জনকে নজরদারিতে রেখেছেন তিনি। শুধরে না গেলে পর্যায়ক্রমে তাদেরও বহিষ্কার করা হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক নেতা বলেন, আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিএনপির সিনিয়র নেতাদের মধ্যে কোন্দল শুরু হয়েছে। সেই কোন্দলের বলি হয়েছেন ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ। মূলত দলে কর্তৃত্ব ধরে রাখতে অপছন্দের নেতাদের সরিয়ে দিচ্ছেন তারেক রহমান।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলেন, তারেক রহমান ব্যক্তিগত ফায়দা হাসিলের জন্য বিএনপির বড় বড় নেতাদের সরিয়ে দেওয়ার ফন্দি এঁটেছেন। এতে তিনি সাময়িক লাভবান হলেও বিএনপি চূড়ান্তভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। নির্বাচনের আগে এমন কোন্দল বিএনপিকে আরো অস্তিত্বহীন করে ফেলবে।







