মোঃ মিজানুর রহমান মিজান, তালতলী(বরগুনা)প্রতিনিধিঃ সকল কল্পনা ও গুজব-গুঞ্জনের অবসান ঘটিয়ে শারিকখালী ইউপি নির্বাচনে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক নৌকা পেলেন তালতলীর প্রবীন আ.লীগের ত্যাগী নেতা আবুল বাশার বাদশা তালুকদার। আজকের তালতলী উপজেলার শারিকখালী ইউনিয়নের রাজনীতির ‘আইকন’ আবুল বাশার বাদশা তালুকদার। সকল সমীকরণ শেষে শেষ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগ সভাপতি দেশরত্ন শেখ হাসিনা আবুল বাশার বাদশা তালুকদার এর ওপরই আস্থা রাখলেন। শুক্রবার আওয়ামীলীগ সভাপতি শেখ হাসিনা স্বাক্ষরিত মনোনয়নের নৌকার টিকিট গ্রহণ করেন।
এদিকে আবুল বাশার বাদশা তালুকদার।নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ায় শারিকখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের একাংশের নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা আনন্দে উদ্বেলিত। মনোনয়নের খবর পেয়ে ইউনয়িনের বিভিন্ন ওয়ার্ডে নেতা-কর্মীরা তাৎক্ষনিক আনন্দ মিছিল বের করে।
প্রসঙ্গত আবুল বাশার বাদশা তালুকদার সময়ের ব্যবধানে নিজের মেধা, প্রজ্ঞা ও রাজনৈতিক দূরদর্শিতা দিয়ে প্রদীপের আলোয় এসে উদীয়মান সূর্য নেতায় পরিণত হন। তার আলোয় আলোকিত শারিকখালী আওয়ামী রাজনীতির অঙ্গন। সাবেক কড়ইবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এবং নবসৃষ্ট শারিকখালী ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান শারিকখালী ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি সিংহ পুরুষ খ্যাত মুজিব অন্তঃ প্রাণ আবুল বাশার বাদশা তালুকদার নিজেকে শুধু যোগ্য হিসেবেই নয় দলীয় নেতা-কর্মীদের আশা ও ভরসার প্রতীক হিসেবেও নিজেকে গড়ে তুলতে পেরেছেন। শেষ পর্যন্ত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাও তার ওপর আস্থা রাখলেন।
আবুল বাশার বাদশা তালুকদারকে ঘিরেই শারিকখালীর চেয়ারম্যন পদটি পুনরায় ধরে রাখার স্বপ্ন-সাধ বুকে লালণ করছে দলীয় একাংশের নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদটি পুনরায় ধরে রাখার একমাত্র সক্ষমতা তারই রয়েছে বলে রাজনৈতিক অভিজ্ঞ মহলের ধারণা। প্রবীন এ ত্যাগী নেতা আ’লীগের সুখ-দুঃখের অংশীদার। ৭৫’র পর সেনাশাসক জিয়াউর রহমান, স্বৈরশাসক এরশাদ ও বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার আমলে (৯১-৯৬ ও ২০০১-২০০৬) মিথ্যা মামলাসহ নানা ভাবে আবুল বাসার বাদশা তালুকদার ও তার পরিবারকে হয়রানির শিকার হতে হয়। ১/১১’র সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলেও বিভিন্ন ভাবে ষড়যন্ত্রের শিকারের চেষ্টা হয়েছিল। তবে সকল চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রের মাঝেও এ পরিবারটি শারিকখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা-কর্মীদের একমাত্র ভরসাস্থল ও শেষ ঠিকানা।







