স্টাফ রিপোর্টার ॥ ১৫ মে বুধবার দিনাজপুরের ঐতিহাসিক রাজবাটী কোদালদহপাড়ায় পূজা অর্চনা ও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে মাসব্যাপী এবং দিনাজপুরের মহারাজার বিভিন্ন ঐতিহাসিক ধর্মীয় উৎসবের মত অন্যতম ও ঐতিহ্যবাহী নগর কীর্তনের সমাপ্তি ঘটেছে।
এই নগরকীর্তন দল সারা বৈশাখ মাসজুড়ে দিনাজপুরের তৎকালীন নগরে নগরের ঘুরে ঘুরে নিমন্ত্রিত বাড়িতে যেত এবং কীর্তন শোনাত এবং শেষে হরিলুট দিয়ে ভক্তবৃন্দের মাঝে নানা ধরনের বাতাসা, কদমা মিস্টি, মিষ্টান্যসহ প্রসাদ বিতরণ করা হত। সেই নগরকীর্তন দল বংশপরমপরায় এখনও দিনাজপুরের রাজবাটী কোদালদহপাড়ায় সেই ঐতিহ্য ধরে আছে। এই দলের বর্তমান প্রধান নেপাল চন্দ্র কর্মকার (শুকু) ও তার সাথে কীর্তনীয়া হিসেবে আছেন প্রদীপ ঘোষ, মিঠু বকশী, উজ্জল কর্মকার। খোল বাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মলয় দাস, তুষার দাস রিপন,পলাস দাস, সুব্রত কর্মকার। করতাল বাদক উপস্থাপনা করেন বিকুল কর্মকার, সঞ্জয় কর্মকার এবং মলিন দাস। এছাড়াও সঙ্গদকার (দোহার) হিসেবে থাকেন স্থানীয় এলাকার অনেক ভক্তবৃন্দ। সারা বিশ্বের সকল জীবের মঙ্গল কামনা করাই হলো এই নগদর কীর্তন দলের লক্ষ্য। নেপাল চন্দ্র কর্মকার (শুকু) বলেন, আমাদের বংশপরমপরায় এই ঐতিহ্য প্রতি বছর বৈশাখ মাস জুড়ে নগর কীর্তন ও ধর্মীয় কীর্তন করে ভক্তদের কৃষ্ণপ্রেমে উৎসহিত করে আসছি। অবক্ষয়যুক্ত এই সমাজে এবং কলিযুগে পাপমচন করতে এই নগর কীর্তন যথেষ্ট ভূমিকা রাখছে বলে আমাদের বিশ্বাস। আমাদের ধর্মে বলা হয়েছে যেখানে খোল, করতাল, বাদক যেখানে বাজে সেখানে কোন অশুভ শক্তি বিচরণ করতে পারে না। তাই আমাদের নগর কীর্তনের বাণী হচ্ছে ধর্মীয় অনুভূমির মাধ্যমে আসুন সবাই মিলে সুন্দরের পূজা করি।







