দিনাজপুর প্রতিনিধি ॥
দিনাজপুরে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা স্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে স্বামী সংবাদ সম্মেলনে করেছেন।
সোমবার বেলা ১১টায় দিনাজপুর প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগ করেন দিনাজপুর শহরের চাউলিয়াপট্টি এলাকার মোঃ এরশাদুল আলম।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ২০১১ সালের ৩০ মার্চ দিনাজপুর শহরের ষষ্টিতলা এলাকার মাসুদ হোসেনের কন্যা মোঃ মাসিদা খাতুন দিবার সাথে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে সে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত হয়। তাকে অনেক সংশোধন করার জন্য অনেক বুঝানো হয়। তার পরও সে ভাল পথে আসে নাই। পরবর্তীতে আমি জানতে পারি যে, আমার উক্ত স্ত্রীর অতীতে আরও তিনবার বিয়ে হয়েছিল এবং তৃতীয় স্বামীর একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। যার নাম-আল আরাফ আনাম। ৪র্থ স্বামী আমি মোঃ এরশাদুল হক ঘর সংসার করাকালিন আমার ঔরষে স্ত্রীর গর্ভ হতে একটি পুত্র সন্তান জন্ম গ্রহন করে। যাহার নাম-হুজাইফা আলম, বয়স-১৪ বছর। আমার উক্ত স্ত্রী বিরল উপজেলার মাটিয়ান সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। তার অতীতে আরও অনেকবার বিয়ে হয়েছে এবং এত বন্ধু যে, আমার নিজ বাসায় বন্ধুদের নিয়ে এসে অসামাজিক কার্যকলাপ করতে থাকে। আমাকে না বলে সে তার বন্ধুদের সাথে চাকুরীর অনুমতি ছাড়াই ভারতে গিয়ে ২০২৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর থেকে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত অবস্থান করে আসে। আমার স্ত্রীর এরুপ আচরনে আমি জিজ্ঞেস করলে সে আমার চড়াও হয়ে তার পরিবারের লোকজন মামা, ভাই সহ অনেকে আমার জীবন নাশের হুমকী প্রদর্শন করে। আমার স্ত্রী আমাকে দুধের সাথে ঘুমের ঔষধ মিশিয়ে অচেতন করে তার বিভিন্ন বন্ধুদের সাথে মোবাইলে অশ্লীল ছবি দেখে। আমার স্ত্রীর পিতা ও মাতাকে উক্ত বিষয় নিয়ে অবগত করলে তারা বলে যে, আমাদের মেয়ে যদি খারাপ তাহলে তুমি আমাদের মেয়েকে তালাক দিয়ে দাও। এরই মধ্যে ২০২৩ সালে আমার উক্ত স্ত্রী আমার উপর একটি যৌতুক নিরোধ আইনের ১২ লক্ষ টাকা একটি মিথ্যা মামলা করে। যাহা বর্তমানে চলমান রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমি এব্যাপারে আমার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দিনাজপুর কোতয়ালী থানায় একটি অভিযোগ করেছি। পাশাপাশি জেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। আমি এব্যাপারে প্রশাসনের সহযোগিতা চাই।








