রিতা : কি রে গতকাল রাতে তোর হাসবেন্ড অফিস থেকে এসে কি করলো?
মিতা : কি আর করবে? এসে খেয়ে দেয়ে ঘুম! তোর?
রিতা : আর বলিস না! কালকে অফিস থেকে এসে আমাকে নিয়ে গেলো রেস্টুরেন্টে। সেখানে ডিনার করলাম। তারপর সারা রাস্তা দুজনে হেঁটে বাসায় ফিরলাম। বাসায় গিয়ে ও কি করলো শুনবি?
মিতা : কি করলো?
রিতা : বাসায় গিয়ে সারা ঘরে মোমবাতি জ্বালিয়ে দিল। কি সুন্দর যে লাগছিলো দেখতে!!!
মিতা : বাহ্ তোর স্বামী তো সেই রোমান্টিক!!!!!!
ঠিক তার পরের দিন দুই বান্ধবীর হাসবেন্ড এর ফোনালাপ।
রিতার স্বামী : কি রে ভাই কি করলেন বাসায় গিয়ে গতকাল?
মিতার স্বামী : কি আর করবো! খাইনলাম তার পর ঘুমাইলাম। আপনি?
রিতার স্বামী : আর বলবেন না ভাই!! জীবনে খালি প্যারা। কালকে বাসায় গিয়ে দেখি বউয়ের মুখ ভোঁতা। রান্না করে নাই। তাই বাধ্য হয়ে গেলাম রেস্টুরেন্টে। সেখানে খাওয়ার পরে পকেট খালি। টাকা নাই। কি আর করবো! সারা রাস্তা হেঁটে হেঁটে বাসায় গেলাম। তারপর দেখি আরেক প্যারা!!!!!
মিতার স্বামী : আবার কি??
রিতার স্বামী : বাসায় গিয়ে দেখি বিদ্যুৎ এর লাইন কেঁটে দিছে। বিল দেয়া হয় নাই। আর আমি তো আর ভূতের ভয়ে ঘুমাইতে পারি না৷ তাই সারা ঘরে ভয়ে মোমবাতি জ্বালিয়ে রাখলাম 😭।
MORAL OF THE STORY – বাস্তবতা সবই এক প্রেজেন্টেশন টাই আসল। পরীক্ষার খাতায় সবাই একই কথা লিখবে। তবে লেখার ধরণটাই আসল। সব টিচার একই জিনিস পড়াবেন। তবে পড়ানোর কৌশলটাই আসল।








