চট্টগ্রামে হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতি উৎসবমুখর পরিবেশে ফানুস উৎসব করেছেন বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা। বিভিন্ন আকারের, নানা ধরনের ফানুস উড়ানো হয়েছে। বিভিন্ন ধর্মের মানুষের উপস্থিতিতে উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয় পুরো নন্দনকানন বৌদ্ধ মন্দির এলাকাজুড়ে।
প্রবারণা শব্দের অর্থ আত্মনিবেদন। ফানুসকে বৌদ্ধধর্মের ভাষায় বলা হয় ‘আকাশ বাতি’। মূলত প্রবারণা পূর্ণিমায় আকাশে বাতি বা ফানুস ওড়ানোর মধ্য দিয়ে বুদ্ধের অহিংসার বাণী ছড়িয়ে দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে সুখ, শান্তি আর কল্যাণ কামনা করেন বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা।
শান্তির সেই বার্তা বিশ্বের সবার কাছে পৌঁছে দেয়ার প্রত্যয়ে সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরীর নন্দনকাননের বৌদ্ধমন্দির থেকে ওড়ানো হয় কয়েক হাজার ফানুস।
চট্টগ্রামে ক্ষুদে বৌদ্ধ তরুণদের অন্যতম সংগঠন “ধর্মচক্র”-এর নব ভাবনা ও সৃজনে তৈরিকৃত ফানুস উৎসবে বাড়তি মাত্রা যোগ করে।
বিভিন্ন আকৃতির, আকারের ফানুস একের পর এক ভগবান বুদ্ধের উদ্দেশ্যে উড়িয়ে দেয়া হয়। কোনো ফানুসের আকার ছিল বালিশের মতো, আবার কিছু ছিল লম্বাকৃতির। ফানুসের আলোয় রঙিন হয়ে উঠে সেখানকার আকাশ। শুধু বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরাই নয়, বিভিন্ন ধর্মের মানুষের উপস্থিতি উৎসবের আমেজ পায় পুরো নন্দন কানন এলাকা।
এবারে ধর্মচক্র সংগঠনের পাশে সহযোগিতার হাত বাড়ায় ওড়িশী অ্যান্ড টেগোর ডান্স মুভমেন্ট সেন্টার,চট্টগ্রাম ও কথাসুন্দর নাট্যদল।
ধর্মচক্র সংগঠন এর অভ্র বড়ুয়া জানান এ দিনটার জন্য প্রতি বছর তারা অপেক্ষা করে থাকেন। দুই মাসেরও বেশি সময় কাজ করে এ ফানুসগুলো ভগবান বুদ্ধের উদ্দেশ্যে বানিয়েছে “ধর্মচক্র” সংগঠন।আগামীবার তারা আরও নতুন ভাবনা ও সৃজন নিয়ে এই উৎসব পালন করবে বলে জানান।







