ওপারে মিয়ানমার অংশে উত্তেজনার কারণে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির সীমান্ত থেকে স্থানীয় কিছু পরিবারকে সরিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।
৩০০ পরিবারের প্রায় দেড় হাজার সদস্যকে সরিয়ে নিরাপদ স্থানে নেয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশসাক (ডিসি) ইয়াসমিন পারভিন।
তিনি জানান, পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় রোববার সীমান্তের কাঁটাতার বেড়া সংলগ্ন তুমব্রু, ঘুমধুম, হেডম্যান পাড়া, ফাত্রা ঝিড়ি, রেজু আমতলী এলাকায় বসবাসকারীদের সরানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সোমবার সকালে নিজে উপস্থিত থেকে স্থানান্তর প্রক্রিয়া শুরু করবেন।
এদিকে, বান্দরবান সীমান্তে গোলাবর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করে মিয়ানমার এর দায় ঠেলে দিয়েছে রোহিঙ্গা অধ্যুষিত রাখাইন রাজ্যের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির প্রতি।
দেশটির দাবি, আরাকান আর্মি মিয়ানমার সেনাবাহিনীর গোলাবারুদ চুরি করে বাংলাদেশে গুলি করছে, যাতে করে দুই দেশের সম্পর্কের অবনতি হয়, বাংলাদেশ মিয়ানমারকে অবিশ্বাস করে।
সীমান্তে গোলাবর্ষণের প্রতিবাদে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত অং কিউ মোয়েকে তলব করার পর তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এসে এই ব্যাখ্যা দিয়ে গেছেন বলে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
রোববার বিকেলে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব খোরশেদ আলম সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ সীমান্তের ওপারে বেশ কিছুদিন ধরে বিদ্রোহী আরাকান আর্মির সঙ্গে লড়াই চলছে মিয়ানমার সেনাদের। এ লড়াইয়ের মধ্যে মিয়ানমার সেনাদের ছোড়া বেশ কিছু মর্টার শেল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এসে পড়ে।








