যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং হাজী এনাম, মহিউদ্দীন দেওয়ান ও আব্দুল হাসিব মামুনের যৌথ সঞ্চালনায় যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের শান্তি সমাবেশে নেতারা বলেন, সংবিধানের বাইরে আওয়ামীলীগ কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করবে না। সংবিধান অনুযায়ী যথা সময়ে আগামী জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া ব্যবস্থাপনাতে উক্ত নির্বাচন হবে। কিন্তু এ নির্বাচনের নামে দেশে ও বিদেশে অরাজকতা সৃষ্টি করলে বাংলাদেশের মানুষ এবং যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা দাঁতভাঙ্গা তার জবাব দেবে।
সভায় বক্তারা বলেন, তারেক রহমানের ভাড়াটিয়া ও বিএনপি নামধারী কিছু ব্যক্তি কয়েকদিন আগে জ্যাকসন হাইটসে যুক্তরাষ্ট্র সফররত নারায়নগঞ্জের সাংসদ শামীম ওসমানের সাথে অসাধাচারন ও লাঞ্ছিত করা চেষ্টা করেছে। বিএনপি নামধারীদের এ ধরনের কর্মকান্ডের জন্য আমরার তীব্র নিন্দা ও ঘৃণা প্রকাশ করছি। বিদেশে বিএনপি ও জামাত-শিবিরের কর্মীরা আগামীতে এ ধরনের কর্মকান্ডের চেষ্টা করলে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা এর সঠিক জবাব দেবেন।
সভার শুরুতে সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান বক্তাদের কিছু নির্দেশনা প্রদান করে তিনি সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, এ সমাবেশ বাংলাদেশে শান্তি ও উন্নয়নের সাথে সংহতির সমাবেশ। কাউকে আক্রমন নয়। কোন দলের প্রতি বিষোদাগার নয়। আমরা প্রবাস থেকে শুধু আহবান জানাবো দেশে অবশ্যই সংবিধান মতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কাউকে ক্ষমতায় বসানোর অধিকার ১৮ কোটি জনগনের। দেশের উন্নয়ন ও শান্তি অব্যাহত রাখতে শেখ হাসিনার সরকার বারবার দরকার বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন আওয়ামীলীগ নেতা শামসুদ্দিন আজাদ, নিজাম চৌধুরী, মজিবুর রহমান মিয়া, কৃষিবিদ আশরাফুজ্জামান, ডা. মাসুদুল হাসান, শরীফ কামরুল হীরা, শাহানারা রহমান, শাহিন আজমল হোসেন, আব্দুর রহিম বাদশা, গোলাম কিবরিয়া, খোরশেদ খোন্দকার, সাখাওয়াত বিশ্বাস, জাসদ নেতা নুরে আলম জিকু, মুক্তিযোদ্ধা মকবুল তালুকদার, লায়ন্স হাসান জিলানী, মমতাজ শাহানাজ, আজিজুল হক খোকন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মুজাহিদুল ইসলাম, রহিমুজ্জামান সুমন, জিয়াউল হক জিয়াদ, সেবুল দেবনাথ, জুয়েল আহমদ, মোঃ সেবুল মিয়া, দুরুদ মিয়া রনেল, হেলাল মিয়া ও ওয়াহিদুজ্জামান লিটন। বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মেরাজ খানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।








