ডোনাল্ড ট্রাম্প মারা যাবার পর তাকে জাহান্নামে পাঠানো হলো। সে গিয়ে দেখলো বিভিন্ন দেশের নামে জাহান্নাম গুলোর নাম। তাকে যে কোন দেশের জাহান্নামে যাওয়ার সুযোগ দেয়া হয়েছে।
ট্রাম্প আমেরিকার জাহান্নামে গিয়ে পাহারাদারকে জিজ্ঞেস করল, “এখানে শাস্তি কেমন?” পাহারাদার বলল,” প্রতিদিন প্রথমে সকলকে ইলেক্ট্রিক চেয়ারে বসিয়ে ১ ঘন্টা ইলেক্ট্রিক শক দেয়া হয়। তারপর পেরেকের বিছানায় এক ঘন্টা শোয়ানো হয়। এরপর এক দৈত্য পিঠে ৫০ টা চাবুকের ঘা দেয়।”
এটা শুনে ট্রাম্প খুব ভয় পেয়ে গেলো। সে ভাবলো রাশিয়ার জাহান্নামে গিয়ে দেখা যাক। সেখানেও পাহারাদার একই কথা বলল।
সে যেসব দেশের জাহান্নামে গেলো, সব পাহারাদারই তাকে একই শাস্তির কথা বলল।
এবার সে বাংলাদেশের জাহান্নামে গেল। সেখানে প্রবেশ পথে দরজায় লিখাঃ আপনাকে বাংলাদেশের জাহান্নামে স্বাগতম।
দরজার বাইরে মানুষের লম্বা লাইন।
এত মানুষের সমাগম দেখে ট্রাম্প ভাবল এখানে নিশ্চয়ই কম শাস্তি দেয়া হয়, তাই এত লম্বা লাইন। পাহারাদারকে জিজ্ঞেস করল,”এখানে কেমন শাস্তি দেয়া হয়? পাহারাদার বলল,” প্রতিদিন প্রথমে ইলেক্ট্রিক চেয়ারে বসিয়ে ১ ঘন্টা ইলেক্ট্রিক শক দেয়া হয়। তারপর পেরেকের বিছানায় এক ঘন্টা শোয়ানো হয়। এরপর এক দৈত্য এসে ৫০ টা চাবুকের ঘা দেয়।”
ট্রাম্প বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করলো,”একই রকম শাস্তি তো সব দেশের জাহান্নামেই দেয়া হয়, তাহলে এই জাহান্নামে এত ভিড় কেনো?”
পাহারাদার জবাব দিলো,” এখানে ইলেকট্রিক চেয়ার ঠিকই আছে,
কিন্তু কারেন্ট নাই।পেরেকের বিছানা থেকে পেরেক চুরি হয়ে গেছে।
যে দৈত্যটি চাবুক মারে সে একজন সরকারি কর্মচারী। কোন একসময় আসে, খাতায় সই করে বাড়ি চলে যায়। আর এক আধ দিন যদি ডিউটি দেয় সেদিন দু-একটা চাবুক মারে, আর রেজিস্টারে ৫০ টা চাবুকের ঘা লিখে বেরিয়ে যায়।
এখানে আবেদন এত জমা পড়েছে যে কবে ডাক আসবে তার কোন নিশ্চয়তা নাই। আর ডাক না আসলে শাস্তিও নাই।
ট্রাম্প সিরিয়ালে দাড়ালো। 😅








