রাজশাহী প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার মাটিকাটা ইউনিয়নের (ইউপি) আলোচিত চেয়ারম্যান সোহেল রানা ফের আলোচনায় উঠে এসেছে। তবে এবারের আলোচনার বিষয়টা একটু ভিন্ন ও চরম লজ্জার। স্থানীয় জনগণের গণধাওয়ার মুখে প্রায় দ্বিগম্বর হয়ে প্রাচির টপকে পালিয়ে ফের আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে চেয়ারম্যান সোহেল রানা বলে আলোচনা রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্থানীয় সাংসদকে নিয়ে বিভিন্ন সময়ে আপত্তিকর মন্তব্য, মাদক কানেকশান, নারী কেলেঙ্কারি, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারসহ নানা কারণে সোহেল রানা আলোচনায় রয়েছে। ইতমধ্যে ৬টি উন্নয়ন প্রকল্প দেখিয়ে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠে তার বিরুদ্ধে। সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্যদের অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টির তদন্ত চলমান রয়েছে। এসব কারণে ইউপি সদস্যসহ এলাকার মানুষ চেয়ারম্যান সোহেল রানার অপসারণ দাবি করে তার বিরুদ্ধে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল ইউপি কার্যালয়ে চেয়ারম্যান আশা মাত্র, এলাকার কয়েক শত মানুষ তার এসব অপকর্মের প্রতিবাদে ইউপি চত্ত্বরে তাকে অবরুদ্ধ করে। এ সময় তাকে উদ্ধারের জন্য তিনি মুঠোফোনে তার ক্যাডার বাহিনীকে খবর দেন। এদিকে তার ক্যাডার বাহিনী দেশীয় অস্ত্র সজ্জিত হয়ে বিক্ষুব্ধ জনতার ওপর হামলার চেষ্টা করলে বিক্ষুব্ধ জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদের ধাওয়া করে। এই সুযোগে চেয়ারম্যান সোহেল রানা প্রায় দ্বিগম্বর হয়ে প্রাচীর টপকে পালায়। এদিকে বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে ধাওয়া করে প্রায় আধা কিলোমিটার নিয়ে যায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইউপি সদস্য (মেম্বার) ঘটনার সত্যতা শিকার করে বলেন, চেয়ারম্যানের নানা অপকর্মের কারণে তারা এই ইউপির সদস্য এই পরিচয় দিতেই লজ্জা পায়। এবিষয়ে জানতে চাইলে মাটিকাটা ইউপি চেয়ারম্যান সোহেল রানা এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা তার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র করে আসছে। এটাও তাদেরই ভিত্তিহীন অপপ্রচার।








