—— কিছু কথা :
আপনাদের সদয় অবগতির জন্য জানাচ্ছি- বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ সরকার এর ‘জয়েন্ট স্টক কোম্পানী এন্ড ফার্ম’ এ রেজিস্ট্রিকৃত একটি প্রতিষ্ঠান। এর রেজিস্ট্রেশন ‘নন প্রফিট অর্গানাইজেশন’, যেমনটা রোলেক্স ও একটি নন প্রফিট অর্গানাইজেশন।
.
ট্যাক্স ফাঁকি দিতে এমন অনেক চাতুরি করা হয়ে থাকে। মালিকরা প্রফিট কিংবা বেতন নেন না, কিন্তু কনসালটেন্সি ফি নেন (মাংস খান না, ঝোল খান)।
.
আমি এখানে যে প্রমানগুলো দেবো, সেগুলো বিদ্যানন্দের ওয়েবসাইটে এবং কিশোর এর প্রোফাইল থেকে নেয়া, ফলে আপনি এগুলোর
অথেনটিসিটি নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারবেন না।
.
প্রথমতঃ বিদ্যানন্দ তাদের প্রচার-প্রচারণায় নিজেদের চ্যারিটেবল অর্গানাইজেশন বললেও তারা তাদের রেজিষ্ট্রির ধরণ অনুযায়ী একটি ‘কোম্পানী এন্ড ফার্ম’ এর মতই আচরণ করেছে। যেটা তাদের অডিট রিপোর্টে প্রমান হয়।
.
তাদের ওয়েব সাইটে থাকা সবগুলো অডিট রিপোর্ট এর ব্যায়ের খাতগুলোর কিউমুলেটিভ গ্রাফ তৈরী করে দেখা যায়-
তারা সবচেয়ে বেশি খরচ দেখিয়েছে নগদ সঞ্চয়। মানে তারা তাদের আয়ের (দান থেকে) সবচেয়ে বেশি অংশ জমাচ্ছে!
.
এরপরের বড় খাত হচ্ছে- ‘বিবিধ’। এখন নবম শ্রেনী পড়ুয়া কোন বানিজ্যের ছাত্রকে জিজ্ঞেস করে দেখেন কোন প্রতিষ্ঠানের দ্বিতীয় সর্বোচ্য ব্যায়ের খাত ‘বিবিধ’ হতে পারে কি না? হলে সেই প্রতিষ্ঠানে আর্থিক স্বস্ছতা আছে কি না। আপনি আপনার পরিবারের বাজেট দিয়েই এটা প্রমান করতে পারেন, চাইলে।
.
বিদ্যানন্দের তৃতীয় সর্বোচ্য ব্যায়ের খাত হচ্ছে- সম্পত্তি, প্রতিষ্ঠান এবং আসবাব ও যন্ত্রাংশ ক্রয়।
চতুর্থ সর্বোচ্চ খরচের খাত হচ্ছে- বাসা/অফিস ভাড়া।
পঞ্চম সর্বোচ্চ খরচের খাত হচ্ছে- বেতন, ভাতা ও সম্মানী প্রদান।
.
এরপর সর্বশেষে #ষষ্ঠ ও #সপ্তম পর্যায়ের ব্যায়ের খাত হচ্ছে যথাক্রমে- অন্যান্য চ্যারিটি এবং খাদ্য সহায়তা (১ টাকার আহার এবং বিনামূল্যে খাবার)।
.
এখন আপনি বলেন আপনি যদি আপনার ১০০ টাকার জাকাত বিতরণের দায়িত্ব আমাকে দিয়ে বলেন এটা গরিবদের মধ্যে বিতরণ করতে, তারপর আমি সেখান থেকে ৭৮ টাকা খরচ দেখিয়ে মাত্র ২২ টাকা গরিবদের মধ্যে বিতরণ করি, তাহলে সেটা আপনার জাকাতের সঠিক ব্যবহার হলো?
.
আপনি জাকাত দিয়েছেন গরিবদের জন্য, আর আমি সেই টাকা বিতরণ না করে জমাচ্ছি এবং প্রতিষ্ঠানের নামে সম্পত্তি কিনছি!
এটা মেনে নিবেন?
.
তাও আবার আরেকটা দেশের গোয়েন্দা সংস্থার জন্য কাজ করতে তৃতীয় দেশের বর্ডার বরাবর স্ট্রাটেজিক লোকেশনে!








