নিজস্ব সংবাদদাতা:
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বাবা-মায়ের ৭ভাই-বোনের জন্য ওছিয়ত করে রেখে যাওয়া
সম্পত্তি ও স্বর্ণালংকার একাই আত্নসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে ইঞ্জিনিয়ার
আমজাদ হোসেন নামে এক নিষ্ঠুর বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে। অর্থলোভী স্ত্রী’র
যোগসাজশে ভাই-বোনদেরকে বঞ্চিত করে রাম রাজত্ব কায়েম করে চলেছে বলে
অভিযোগে প্রকাশ। মানবতাহীণ এ ঘটনার বর্হি:প্রকাশ ঘটেছে ফতুল্লা মডেল
থানার মধ্য ধর্মগঞ্জ এলাকায়। পৈত্রিক সম্পত্তি ও স্বর্ণালংকার চাইতে গেলে
বড় ভাই আমজাদ হোসেন তার ভাই-বোনসহ ভাগিনা-ভাগিনাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন
থানা ও আদালতে একাধিক মামলা ও অভিযোগ দায়ের করেন। এ ঘটনায় গোটা
নারায়ণগঞ্জে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। সুবিচার পেতে ভুক্তভোগী
ভাই-বোনেরা বিভিন্ন জনের সরনাপন্ন হলেও বড় ভাইয়ের ষড়যন্ত্রের সঙ্গে
কোনভাবেই তারা কুলিয়ে উঠতে পারছেনা। আমজাদ হোসেনের মামলায় ৬ ভাই-বোনসহ
পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও ইতোমধ্যে জেল খেটেছে। এ ঘটনায় এলাকায়
ইঞ্জিনিয়ার আমজাদের পরিবারকে ঘিরে নানা গুঞ্জণ শোনা যাচ্ছে। এ ব্যাপারে
নাম প্রকাশ না করার শর্তে জনৈক সমাজ সেবক জানান,ইঞ্জিনিয়ার আমজাদ মৃত
কেরামত আলীর বড় সন্তান হয়ে তার ভাই-বোনদের সঙ্গে বেঈমানী করে আসছে। তার
বিরুদ্ধে সামাজিকভাবেও কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছেনা। যে কারণে আমজাদ ক্রমেই
বেপরোয়া হয়ে উঠছে। অপরপর বাসিন্দা একই শর্তে জানান,আমজাদ খুবই নির্দয়বান
একজন মানুষ। তার কোন মানবতাই নেই। সে কিভাবে ৬ ভাই-বোনের সম্পত্তি এবং
ওয়ারিশ একাই ভোগ দখল করে রাখে। ভাইয়ের কুকর্মের কথা বলতে গিয়ে পরিবারের
কেরামত আলীর কনিষ্ঠ সন্তান আফজাল হোসেন তপন জানান,আমজাদ হোসেন ভাই নামের
কলংক। যে স্ত্রী’র যোগসাজশে ভাই-বোনের সম্পত্তি গ্রাস করে সে কোনদিনও
মানুষ হতে পারেনা। সে একটা জালেম। আমরা নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য
একেএম শামীম ওসমান এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা চাই। অপরাপর
সন্তান ইসমাঈল হোসেন জানান,আমরা তাকে অনেক বিশ্বাস করতাম। সে বিশ্বাসে
কালি লেপন করেছে। মা-বাবা মৃত্যুর আগে তাদের সমস্ত সম্পত্তি এবং মালামাল
আমাদের সকল ভাই-বোনের মাঝে সমানভাবে বন্টন করার বিষয়টি ওছিয়ত করে গেছে
অথচ বেঈমান আমজাদ একাই সব গ্রাস করে নিয়েছে। আমরা আমাদের ওয়ারিশের অংশ
বুঝিয়ে দিতে বলায় সে এখন আমাদের বিরুদ্ধে নানা মামলা-মোকদ্দমায় জর্জরিত
করে চলেছে। বিষয়টি যেহেতু নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এলাকায় সেহেতু আমরা মনে করি
আমাদের মাননীয় এমপি মহোদয় একেএম শামীম ওসমানের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। আমরা
আইনের সর্বোচ্চ জায়গায় আমজাদ হোসেনের কুকর্মের বিচার দাবী করছি।
সিদ্ধিরগঞ্জের ৩ প্রতারকের খপ্পরে পড়ে ৩লাখ টাকা খোয়ালো গোপলগঞ্জের দলিল লিখক ইমরান
স্টাফ রিপোটারঃ
নারায়ণগঞ্জে প্রতারক চক্রের অভিনব ফাঁদে পা দিয়ে ৩লাখ টাকা গচ্চা দিয়েছেন
ইমরান হোসেন নামে সুদূর গোপালগঞ্জের এক নিরীহ দলিল লিখক। ঘটনাটি ঘটেছে
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার আওতায় সোনা মিয়া মার্কেট সংলগ্ন
আলাউদ্দিন পাটোয়ারিয়ার বাড়ীতে। এ ঘটনায় সুবিচার পেতে ভুক্তভোগী ইমরান
হোসেন বাদী সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন
মামলার সূত্রে জানা যায়, গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার লোহাইড়
গ্রামের ইমরান হোসেন একজন দলিল লেখক। মামলার আজ্ঞাত আসামীরা প্রতারক
চক্রের সদস্য। প্রতারক চক্রের ১নং বিবাদী তার ছদ্দ নাম ব্যবহার করে
০১৯৭৩০৩৫৪৪ ও ০১৯৬১৯৬৮৮২০ নাম্বার দিয়ে মামলার বাদী ইমরান হোসাইন এর
০১৭৩২৫২২১২৯ এই নাম্বারে ফোন দেয় এবং বলে বড় অংকের টাকার একটি দলিল আছে
আপনি ঢাকা আসেন। সরল বিশ্বাসে মামলার বাদী ঢাকা যায় এবং ছদ্দ নামী
মোশারেফ এর সাথে দেখা করে। মোশারেফ তার ভাড়াটিয়া বাসায় নিয়ে যায় গত ১২মে।
মামলার বাদী ইমরান হোসাইনকে নানা ভাবে আপ্যায়ন করে এবং অনেক টাকার দলিল
হবে এমন প্রতারনা করিয়া প্রতারক চক্র নগদ ১ লাখ টাকা নিয়ে নেয়। এর পর
ইমরান হোসাইনকে পূনরায় ১৪মে যাইতে বলে এবং ইমরান হোসাইন পৌছাইলে কৌশলে
ফের নগদ ২ লাখ টাকা নিয়ে নেয়। মোট প্রতারক চক্র ৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় এর
পরে ইমরান হোসাইনকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। প্রতারক চক্র বলে আমরা আগামীকাল
মুকসুদপুর আসতেছি দলিল করার জন্য কিন্তু প্রতারক চক্র না আসিয়া তাহাদের
মোবাইল ফোন বন্ধ করিয়া রাখে এর পর ইমরান হোসাইন বুঝতে পারে আসলে দলিল
করবেনা। এরা প্রতারক চক্র। এই ঘটনায় ইমরান হোসাইন বাদী হয়ে অজ্ঞাত নাম
দিয়ে ও মোবাইল নম্বর দিয়ে গত ১৯ মে ২০২৩ ইং তারিখ সিদ্দিরগঞ্জ থানায় একটি
নিয়মিত মামলা দায়ের করেন যাহার নম্বর ৪৩। মামলার পর অভিযান চালিয়ে তদন্ত
কারী কর্মকর্তা এস,আই মশিউর রহমান (নয়ন) দুই জনকে গ্রেফতার করেন। এর
মধ্যে একজন ছদ্দ নামীয় মোশারেফ তাহার আসল নাম জয়নাল এবং রবিউল ইসলামকে
গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারের পর তদন্তকারী কর্মকর্তা ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন
করে জয়নাল ও রবিউলকে আদালতে সোপর্দ করে। এ ব্যাপারে তদন্তকারী কর্মকর্তার
সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, এরা প্রতারক চক্রের সদস্য এদের বিরুদ্ধে
আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং এদের সাথে যারা জড়িত তাদের
গ্রেফতারের অভিযান চলমান রয়েছে। তবে তদন্ত করলে চক্রের মূল হোতা পাওয়া
যাবে।
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মধ্য দিয়ে জাতিসংঘ...







