মোঃ ইদ্রিস আলীঃ ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধিঃ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আর মাত্র কদিন বাকি নির্বাচনকে ঘিরে ফরিদপুর সদর ৩ আসনের নৌকার মনোনীত প্রার্থী শামীম হকের বিরুদ্ধে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ঈগল প্রতীক একে আজাদ আজ বেলা ১১ টায় ফরিদপুর ঝিলটুলি তার নিজ বাড়ীতে এই সাংবাদিক সম্মেলন করেন। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি লিখিত অভিযোগ করে বলেন তার কর্মীদের প্রতিনিয়ত মারধর সহ অফিস ভাঙচুর পোস্টার লাগাতে না দেওয়া হুমকি সহ নানাবিধ অভিযোগ, তিনি বলেন গত কাল পর্যন্ত ১৯ টি হামলার ঘটনা ঘটেছে এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোতোয়ালি থানায় ৫ টি মামলা ও ১৩ টি জিডি দায়ের করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিলমামুদপুর ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের এলোপাথাড়ি কোপে ১৪ নং ওয়ার্ডের যুগ্ন আহ্বায়ক আব্দুর রহমান ঝনকের অবস্থা আশঙ্কাজনক তিনি বর্তমানে ঢাকা চিকিৎসাধীন । বেশ কয়েকজন কে অভিযুক্ত করে বলেন গোলাম মোঃ নাসির পূর্বের তালিকাভুক্ত ক্রসফায়ারের আসামি গোয়ালচামট, তোফাজ্জল হোসেন সম্রাট পূর্বের তালিকাভুক্ত ক্রসফায়ারের আসামি সে মানুষের জবাই করা মাথা নিয়ে ফুটবল খেলেছে আলিয়াবাদ ইউনিয়ন, মোবারক খলিফা পূর্বের তালিকাভুক্ত ক্রসফায়ারের আসামি, তরিকুল ইসলাম নাসির, হেলমেট বাহিনীর প্রধান, ফাহাদ বিন ওয়াজেদ ফাহিম, অস্ত্রবাজ ও অস্ত্র মামলার তালিকাভুক্ত আসামি ,জহুরুল ইসলাম জনি অস্ত্র ও অস্ত্র মামলার তালিকাভুক্ত আসামি, হাত কাটা আক্তার অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ী মোঃ শাহিন মোল্লা অস্ত্র ব্যবসায়ী ও অস্ত্র মামলার তালিকাভুক্ত আসামি, এজাজ খান হেলমেট বাহিনী, শওকত হোসেন ওরফে সাঁকো অস্ত্র বাস ,সোহানুর রহমান সোহান অস্ত্রবাজ রাকিবুর রহমান রাকিব মোবারক বাহিনীর অস্ত্র তদারকারী,শহিদুল ইসলাম মজনু অস্ত্র মামলার তালিকাভুক্ত আসামি, আনোয়ার হোসেন আবু ফকির সন্ত্রাসী, এদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পড়ে শোনান ফরিদপুর ৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী একে আজাদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বিপুল ঘোষ, সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শামসুল হক ভোলা মাস্টার, মোঃ ফারুক হোসেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি, মোঃ মনিরুল হাসান মিঠু সহ আরো অনেকে। ফরিদপুরের ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা তোফাজ্জল হোসেন সম্রাটকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সম্রাটের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী বাহিনী পরিচালনাসহ হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে ফরিদপুর সদরের আলিয়াবাদ ইউনিয়নের সাইনবোর্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার তোফাজ্জল হোসেন সম্রাট আলিয়াবাদ গ্রামের আলাউদ্দিন মুন্সির ছেলে ও আলিয়াবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির শাসনামলে ফরিদপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী বিশ্বজিতের একটি বাহিনী গড়ে ওঠে। বিশ্বজিত গ্যাংয়ের অবৈধ মালামালের জোগানদাতা ছিলেন তোফাজ্জল হোসেন সম্রাট। র্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন বিশ্বজিত। এ ব্যাপারে আলিয়াবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি শেখ সাদী বলেন, আলিয়াবাদ ইউনিয়নসহ আশপাশের কয়েকটি এলাকা সন্ত্রাসী বাহিনীর মাধ্যমে জিম্মি করে রেখেছিল সম্রাট। এ বাহিনীর আয়ের প্রধান উৎস অবৈধ বালু মহাল। একাধিক হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার কে বলেন, র্যাব ও পুলিশের একাধিক দল অভিযান পরিচালনা করে আলিয়াবাদ ইউনিয়নের সাইনবোর্ড এলাকা থেকে দুপুরে সম্রাটকে গ্রেফতার করে। সম্রাটের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। মোঃ ইদ্রিস আলীঃ ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধিঃ ২৭ডিসেম্বর বুধবার ২৩ খ্রিঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মধ্য দিয়ে জাতিসংঘ...







