ইরান হবে মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্র!
এমুহূর্তে ইরান আর ইস**রায়েল এই অঞ্চলের সবচেয়ে শক্তিশালী বাহিনী।
মানে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার যে রাষ্ট্রকে বস মানবে সেই পুরো মধ্যপ্রাচ্য শাসন করবে।
কেউ ইরানকে বেছে নেবে, কেউ ইসরা**য়েলকে কিন্তু তাদের কেউই অ্যামেরি**কাকে আর বেছে নিবে না!
কারণ ইরান ইতিমধ্যেই প্রমাণ করে দিছে যে অ্যামে**রিকা তাদের রক্ষা করতে পারবে না!
এখন থেকে ইরান হরমুজ প্রণালী নিয়ন্ত্রণ করবে এবং বিশ্বের জাহাজ চলাচল থেকে শুল্ক আদায় করবে।
চীনের বিশাল অবকাঠামোগত প্রকল্প ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ সরাসরি ইরানের ওপর দিয়ে গিয়ে এশিয়াকে ইউরোপের সাথে যুক্ত করবে।
রাশিয়া ও ভারতকে সংযোগকারী ‘উত্তর-দক্ষিণ করিডোরও’ সরাসরি ইরানের বুক চিরে যাবে।
ইরান হয়ে উঠবে নতুন বৈশ্বিক বাণিজ্য নেটওয়ার্কের ভৌগোলিক কেন্দ্র।
আমেরিকা কিংবা পেট্রোডলার না বরং ইরানই হবে!
এই যুদ্ধের কারণে পেট্রোডলার ব্যবস্থা ইতিমধ্যেই দুর্বল হয়ে পড়ছে!
উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলো যে কতটা অরক্ষিত, তা প্রকাশ পাইছে।
এশিয়ার অর্থনীতি ইতিমধ্যেই ডলারের ওপর নির্ভরতা কমাতে শুরু করছে!
হয়তো চীন, রাশিয়া, ইরান চাইবে ডলার পুরোপুরি ওঠে যাক!
এমুহূর্তে ফ্রান্স ,জার্মানি, ইতালি যুক্তরাজ্য ঘোষণা দিছে,
যদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি হয় ইরানের উপর তাদের সকল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নিবে।
স্বয়ং অ্যামেরিকা যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি হইছে!
বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশের সাথে প্রায় ২ মাস যুদ্ধ করে টিকে থাকা চারটাখানেক কথা না!
তবে তারা টিকছে গভীর দেশপ্রেম! সাহস ,ধর্মীয় চেতনা, মেধা আর প্রযুক্তির কারণে!
যখন ট্রাম্প ঘোষণা দিছিলো, পুরো একটা সভ্যতা আজ রাতেই ধ্বংস করে দেয়া হবে।
তখন ইরানিরা রাস্তায় নেমে পড়ে! জীবনের বিনিময়ে তাদের টেকনোলজি আর সম্পদকে বাঁচিয়ে রাখতে!
কারণ তারা জানতো! ডিফেন্সসিভ মেকানিজম অক্ষত থাকবে মানে তারা টিকে থাকবে!
ইরানিরা পুরো পৃথিবীকে শিখিয়ে গেছে! শক্তি থাকলে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশের সাথেও টিকে থাকা যায়।
দেশপ্রেম থাকলে মাতৃভূমিকে সেইফ করা যায়।
পৃথিবীতে বাঁচতে ডিফেনসিভ মেকানিজম আর দেশপ্রেম লাগবে!
নয়তো কনফার্ম পরাজয়!!!
রিয়াদে হুথিদের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের হুতিরা। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময়...






